লবণচরা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২ (বাইশ)কেজি গাঁজা সহ ০২(দুই) জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারঃ
লবণচরা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২ (বাইশ)কেজি গাঁজা সহ ০২(দুই) জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারঃ

নজরুল ইসলাম নবী, খুলনা প্রতিনিধি
কেএমপি, খুলনার লবণচরা থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ কমিশনার(খুলনা জোন) ও সৈয়দ মোশারেফ হোসেন, অফিসার ইনচার্জ লবণচরা থানা, খুলনাদ্বয়ের নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ পরিদর্শক(নিঃ)/মোঃ আলী আজিম, এসআই (নিঃ)/মোঃ শরিফুল ইসলাম, এএসআই(নিঃ)/মোঃ আনোয়ার হোসেন, কনস্টেবল/৪৪৯৭ মোঃ আশরাফুল আলম সহ থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার সংক্রান্তে বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালে ইং-১৩/০৭/২০২৬ তারিখ সময়-২০:২০ ঘটিকার সময় লবণচরা থানাধীন ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সাচিবুনিয়া বিশ্বরোড মোড়স্থ “মেসার্স শেফা মেডিকেল হল” এর সামনে পাঁকা ফুটপথের উপর হইতে আসামী ১। মোঃ সিমবাদ চৌধুরী (২৮), পিতা- মৃত আঃ হাই চৌধুরী, সাং-মিল্কি দেহারা, রাজাপুর, কাচারিঘাট,) , উপজেলা/থানা- রূপসা, জেলা -খুলনা, ২। মোঃ রুবেল হাওলাদার (৩১), পিতা- মৃত মোক্তার হাওলাদার,সাং-গুলিশাখালী, থানা- মোরেলগঞ্জ, জেলা -বাগেরহাট,বর্তমান সাং- বড় বাজার রেল ষ্টেশন, থানা- খুলনা সদর, জেলা-খুলনাদ্বয়কে ২২ (বাইশ)কেজি গাঁজা সহ গ্রেফতার করা হয়। আসামীদ্বয়ের নিকট বড় সচ্ছ পলিথিনের ভিতরে রক্ষিত স্কচ টেপ দ্বারা আবৃত ১১(এগারো) পোটলা গাঁজা, যার প্রতিটির ওজন স্কচ টেপ সহ ০২(দুই) কেজি, সর্বমোট-২২(বাইশ) কেজি গাঁজা, মূল্য অনুমান ৮,৮০,০০০- (আট লক্ষ আশি হাজার) টাকা উদ্ধার করা হয়। আসামীদ্বয় বর্তমানে থানা হেফাজতে আছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
উক্ত আসামীদ্বয়ের সিডিএমএস পর্যালোচনা করে তার বিরুদ্ধে পাওয়া যায়-
আসামী ১। মোঃ সিমবাদ চৌধুরী (২৮)এর বিরুদ্ধে
১। দৌলতপুর থানা এলাকা হতে অবস্থান থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় মেট্রো-অধ্যাদেশ মোতাবেক গ্রেফতার গ্রেফতার হয় – , মামলা- কেএমপি এর দৌলতপুর থানার নন এফআইআর নং-৬৪, তারিখ- ২১ মার্চ, ২০২৫; সময়- ধারা- 78 The Khulna Metropolitan Police Ordinance, 1985;
আসামী ২। মোঃ রুবেল হাওলাদার (৩১)এর বিরুদ্ধে
১। খুলনা এর বটিয়াঘাটা থানার ,এফআইআর নং-২৯, তারিখ- ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩; জি আর নং-৫৮, তারিখ- ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩; সময়- ধারা- ৩৮০/৪৫৭ পেনাল কোড-১৮৬০।
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























মন্তব্য: