গাজীপুরে শ্রীপুরে মাটি চাপা অবস্থায় নারীর লাশ উদ্ধার, ঘাতক আটক
গাজীপুর (শ্রীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ভুতুলিয়া গ্রামে মাটি চাপা দেওয়া অবস্থায় কমলা বেগম (৪৫) নামের এক নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক আশিককে আটক করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাল কুড়াতে ঘর থেকে বের হন কমলা বেগম। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। দুপুরে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে স্বজনরা ঝোপঝাড়ের মধ্যে মাটি চাপা দেওয়া তার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। নিহত কমলা বেগম ওই এলাকার কদম আলীর স্ত্রী। নিহতের স্বামী কদম আলী জানান, সকাল পাঁচটার দিকে কাজের উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হয়ে যান তিনি। এসময় তার স্ত্রীও তাল কুড়াতে বাড়ির পাশেই গিয়েছিলেন। পরে দুপুরে বাড়ি ফিরে স্ত্রীর খোঁজ করতে গিয়ে তাকে না পেয়ে স্বজনদের সহায়তায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে প্রতিবেশীর সন্দেহ হলে ঝোপঝাড়ে খোঁজ করে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শ্রীপুর থানার ওসি আব্দুল বারিক জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। পরে অভিযান চালিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতক আশিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গাজীপুর (শ্রীপুর) প্রতিনিধি: ৩১ আগস্ট রবিবার ২০২৫।
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ভুতুলিয়া গ্রামে মাটি চাপা দেওয়া অবস্থায় কমলা বেগম (৪৫) নামের এক নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক আশিককে আটক করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ।
শুক্রবার ২৯ আগস্ট সকালে তাল কুড়াতে ঘর থেকে বের হন কমলা বেগম। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। দুপুরে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে স্বজনরা ঝোপঝাড়ের মধ্যে মাটি চাপা দেওয়া তার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। নিহত কমলা বেগম ওই এলাকার কদম আলীর স্ত্রী।
নিহতের স্বামী কদম আলী জানান, সকাল পাঁচটার দিকে কাজের উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হয়ে যান তিনি। এসময় তার স্ত্রীও তাল কুড়াতে বাড়ির পাশেই গিয়েছিলেন। পরে দুপুরে বাড়ি ফিরে স্ত্রীর খোঁজ করতে গিয়ে তাকে না পেয়ে স্বজনদের সহায়তায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে প্রতিবেশীর সন্দেহ হলে ঝোপঝাড়ে খোঁজ করে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
শ্রীপুর থানার ওসি আব্দুল বারিক জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। পরে অভিযান চালিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতক আশিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























মন্তব্য: