ঝালকাঠিতে ধর্ষণ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
ঝালকাঠিতে ধর্ষণ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

মিজানুর রহমান মুবিন, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি :
ধর্ষণের মতো জঘন্য সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে ঝালকাঠিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে সচেতনতামূলক সভা।
“ধর্ষণে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়াই, অপরাধীকে বয়কট করি। ধর্ষণ একটি জঘন্য অপরাধ, এর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। আমি প্রতিবাদী, আমি সচেতন, আমি চুপ থাকব না”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বুধবার (৪ জুন) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কাওছার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেগুফতা মেহনাজ, মেডিকেল অফিসার ডা. সিয়াম আহমেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. আলম হোসেন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা দিলারা জামান, জেলা তথ্য অফিসার লেলিন বালা, রিপোটার্স ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন, সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, সাংবাদিক মানিক রায়, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সাকিনা আলম লিজাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, ধর্ষণ শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়; এটি মানবতা, নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে নৃশংস আঘাত। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কিশোর-কিশোরীদের নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা, পারিবারিক মূল্যবোধের চর্চা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে ধর্ষণসহ নারী নির্যাতন প্রতিরোধের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
আলোচকরা বলেন, ধর্ষণমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন, সচেতন নাগরিক ভূমিকা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিবাদ। এ লক্ষ্যে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























মন্তব্য: