৩৬ বছরের কর্মজীবন শেষ করে অবসরে গেলেন প্রধান শিক্ষক | বিডি-প্রেস 24 ডট কম

৩৬ বছরের কর্মজীবন শেষ করে অবসরে গেলেন প্রধান শিক্ষক

13 April 2026, 2:06:43
মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ
দীর্ঘ ৩৬ বছরের কর্মজীবন শেষ করে অবসরে যাচ্ছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রবিউল আলম। সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আয়োজনে রবিবার (১২ এপ্রিল) মাঝারদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। বিদায় বেলায় সহকারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ দীর্ঘদিনের প্রিয় ব্যাক্তিকে কর্মজীবনের বিদায় জানাতে অনেকেই অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন।
মো. রবিউল আলম ১৯৯০ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৬ সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদন্নোতি পান। এরপর একটানা ২০ বছর প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে ২০২৬ সালের মার্চে অবসর গ্রহণ করেন। ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে কর্মজীবনে মো. রবিউল আলম ছোট বড় অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেন। পারিবারিক জীবনে তিনি ১ ছেলে ও তিন মেয়ের জনক এবং স্ত্রী গৃহিণী। ব্যাক্তি জীবনে তিনি অত্যান্ত মেধাবী, সৎ, ধৈর্যশীল এবং পরিশ্রমী ছিলেন।
দীর্ঘদিনের প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানাতে বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হন সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা। প্রিয় শিক্ষকের বিদায়ে পুরো আয়োজন জুড়ে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে অশ্রুসিক্ত চোখে বিদায় জানাতে দেখা যায়, যা অনুষ্ঠানে এক হৃদয়স্পর্শী আবহ তৈরি করে। অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয় ও উপজেলা শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে মো. রবিউল আলমকে ফুলেল শুভেচ্ছা, সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে ফুল দিয়ে সাজানো প্রাইভেট কারে মো. রবিউল আলমকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে মাঝারদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রেহেনা পারভিনের সভাপতিত্বে এবং বড় কাজুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. রবিউল ইসলাম। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল ইসলাম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমানসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ

বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।

এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য: