দলিল লেখক সমিতির ৭ দফা দাবীতে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সম্মুখে প্রতিবাদ সমাবেশ
দলিল লেখক সমিতির ৭ দফা দাবীতে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সম্মুখে প্রতিবাদ সমাবেশ

দেওয়ান মাসুকুর রহমান, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ
আজ বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষিত অংশ হিসেবে আমরা মৌলভীবাজার জেলা দলিল লেখক সমিতির পক্ষে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে প্রাঙ্গনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) উক্ত প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জনাব মো. আব্দুল খালেক উপদেষ্টা বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখা।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনাব মো. মছদ্দর আলী, ভাইস চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ দলের লেখক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি ও সভাপতি শ্রীমঙ্গল উপজেলা কমিটি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনাব বাবু অর্জুন ঘোষ, যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি ও উপদেষ্টা শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনাব মো. আব্দুল আউয়াল শাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক, সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি এবং সাধারণ সম্পাদক, শ্রীমঙ্গল উপজেলা।
এছাড়া আরও বিশেষ অতিথি উক্ত জেলার বিভিন্ন অফিসের নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের রাজস্ব আদায়ে দলিল লেখকরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চললেও তারা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে এই পেশা বন্ধের চক্রান্ত করা হচ্ছে।
এটি বাস্তবায়িত হলে এর সঙ্গে জড়িত বিপুলসংখ্যক পরিবার চরম অর্থকষ্ট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়বে।
অবিলম্বে সাত দফা দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, দাবি না মানলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ১০ অক্টোবর ফরিদপুরে বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানানো হয়।
দলিল লেখক সমিতির মূল দাবিগুলো হলো- রেজিস্ট্রেশন আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত না করা, প্রতি দলিলের জন্য ন্যূনতম পাঁচ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা নির্ধারণ, লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ছাড়া অন্য কারও তৈরি দলিল দাখিলের সুযোগ বন্ধে প্রজ্ঞাপন জারি, বিভিন্ন কমিটির সুপারিশ ছাড়া অনভিজ্ঞদের লাইসেন্স না দেওয়া, থানা ও জেলা কার্যালয়ে সরকারি খরচে বসার ব্যবস্থা ও প্রার্থনা কক্ষ নির্মাণ, পেশাগত কাজের কারণে দলিল লেখকদের আসামি না করা এবং দ্রুত ‘দলিল লেখক কাউন্সিল’ গঠনের অনুমতি দেওয়া।
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























মন্তব্য: