শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনের পাঠক কর্ণারে নতুন করে ৫৩ বই
শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনের পাঠক কর্ণারে নতুন করে ৫৩ বই

দেওয়ান মাসুকুর রহমান, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার), ১৯ আগস্ট ২০২৬ :
শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের জন্য পাঠক কর্ণারে নতুন করে ৫৩টি বই রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) বিকেলে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার উদ্যোগে এসব বই দেওয়া হয়।
পৌরসভার পাশাপাশি শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের শিক্ষক ও ‘উত্তরণ’ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা মো. সাইফুল ইসলাম এবং শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য ইসমাইল মাহমুদ পাঠক কর্ণারের জন্য বই দিয়েছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. জিয়াউর রহমান, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পাল, শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ও শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাখাওয়াত হোসেন।
শ্রীমঙ্গল পৌরসভার উদ্যোগে গত বছরের ৩০ অক্টোবর স্টেশনে পাঠক কর্ণারটি স্থাপন করা হয়। তবে বছর না ঘুরতেই সেখানকার সব বই উধাও হয়ে যায় অর্থাৎ বইপ্রেমী কোনো পাঠক হয়তো তা নিয়ে গেছে। অবশ্য এ নিয়ে কারো কোনো অনুযোগ নেই।
এরপর আরও তিন দফায় বই রাখা হলেও প্রতিবারই পাঠকরা বই নিয়ে ট্রেনে উঠে পড়েন। একপর্যায়ে আবারও বইশূন্য হয়ে যায় পাঠক কর্ণার।
এবার চতুর্থ দফায় নতুন করে ৫৩টি বই রাখা হলো। পাঠক কর্ণারে শিশুতোষ, সাহিত্য, ইতিহাস, সংস্কৃতি, বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ের বই রয়েছে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. জিয়াউর রহমান বলেন, ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা যাত্রী, পথচারী ও স্থানীয় মানুষ যাতে অবসর সময়ে বই পড়ার সুযোগ পান, সেই লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মানুষের মধ্যে আবার বই পড়ার অভ্যাস তৈরি হোক, সেটাই তারা চান।
তিনি বলেন, বই পড়ে পাঠকরা যেন তা যথাস্থানে রেখে যান। বই নিয়ে গেলে অন্য একজন পাঠক বই পড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন।
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























মন্তব্য: