শ্রীমঙ্গলে উদ্ধার হওয়া কিশোরগঞ্জের নিখোঁজ মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থী স্বজনদের কাছে হস্তান্তর
শ্রীমঙ্গলে উদ্ধার হওয়া কিশোরগঞ্জের নিখোঁজ মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থী স্বজনদের কাছে হস্তান্তর

দেওয়ান মাসুকুর রহমান, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলা থেকে নিখোঁজ হওয়া মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উদ্ধারকৃত দুই শিশুকে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ নিরাপদ হেফাজতে রাখে এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরিবারের সন্ধান শুরু করে। পরে স্বজনদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের কাছে সমঝিয়ে দেওয়া হয়।
উদ্ধারকৃত শিক্ষার্থীরা হলো— জুবাহিদ (মুবারক) (১০), পিতা আনোয়ার হোসেন, মাতা নাজরিন বেগম। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার মধ্যম মাসিমপুর গ্রামে। তিনি বাজিতপুরের আলী হোসেন দারুল উলুম মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির (নাজেরানা) শিক্ষার্থী।
অপর শিক্ষার্থী মোস্তাকিম (৮), পিতা ফালু মিয়া, মাতা আমেনা। তার বাড়ি দক্ষিণ সরারচর গ্রামে। তিনি প্রথম শ্রেণির (কায়দা) শিক্ষার্থী।
সোমবার (২৩ জুন ২০২৬) ভোর রাত ৪টা ১০ মিনিটে নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর পিতা, নানা, চাচাসহ স্বজনরা কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর থেকে শ্রীমঙ্গল থানায় উপস্থিত হন। পরিচয় যাচাই-বাছাই শেষে অফিসার ইনচার্জের পরামর্শক্রমে ডিউটিরত কর্মকর্তা এএসআই দিদারুল হক আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দুই শিশুকে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন।
এ সময় দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা সন্তানদের সুস্থ ও নিরাপদ অবস্থায় ফিরে পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে উদ্ধার হওয়া শিশুর পিতা আনোয়ার হোসেন ও তাদের সাথে আসা লোকজন এএসআই দিদারুল হকের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।
শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের দ্রুত উদ্যোগ ও অনলাইন পোর্টাল সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানবিক তৎপরতায় নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরে আসায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























মন্তব্য: