ঝালকাঠিতে ননদের স্বামীকে ব্লেড দিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা | বিডি-প্রেস 24 ডট কম
হোম / অপরাধ / বিস্তারিত

ঝালকাঠিতে ননদের স্বামীকে ব্লেড দিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা

31 July 2026, 10:05:25

ঝালকাঠিতে ননদের স্বামীকে ব্লেড দিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ, গৃহবধূর দাবি আত্মরক্ষা

​ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ননদের স্বামীকে ব্লেড দিয়ে পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে। তবে অভিযুক্ত গৃহবধূর দাবি, তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টার হাত থেকে আত্মরক্ষা করতেই তিনি এ পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন।

​বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে সদর উপজেলার গাবারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের রমজানকাঠি এলাকায় এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।

​আহত ব্যক্তির নাম মিঠু মল্লিক (৪০)। তিনি বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চাখার এলাকার মৃত মোশাররফ মল্লিকের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ঝালকাঠির গাবারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের রমজানকাঠি এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে একটি ফার্মেসি পরিচালনা করতেন।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন বেলা ১১টার দিকে ওই গৃহবধূর বাড়িতে মিঠু মল্লিক প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে কোনো একটি বিষয় নিয়ে সংঘাত বা ধস্তাধস্তি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ওই গৃহবধূ ব্লেড দিয়ে মিঠু মল্লিকের পুরুষাঙ্গ কেটে দেন। তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন।

​অভিযুক্ত গৃহবধূ দাবি করেছেন, মিঠু মল্লিক তাঁর সম্পর্কে ননদের স্বামী হন। ঘটনার সময় তিনি ঘরে একা থাকার সুযোগ নিয়ে তাঁকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালান। নিজের সন্মান রক্ষার্থে এবং আত্মরক্ষার কোনো উপায় না পেয়ে তিনি বাধ্য হয়ে ব্লেড দিয়ে প্রতিহত করেন।

​ঘটনার পরপরই গুরুতর আহত মিঠু মল্লিককে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসা ও অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

​এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর থানার পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।

বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।

এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য: