জিয়ানগরে ইউপি সদস্য সেন্টুর বাড়ির সেফটি ট্যাংক নিয়ে প্রতিবেশীর ভোগান্তি
জিয়ানগরে ইউপি সদস্য সেন্টুর বাড়ির সেফটি ট্যাংক নিয়ে প্রতিবেশীর ভোগান্তি

জিয়ানগর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ঢেপসাবুনিয়া গ্রামের ইউপি সদস্য মো. সেন্টু হাওলাদারের বাড়ির টয়লেটের সেফটি ট্যাংক নিয়ে প্রতিবেশী কামরুল ইসলামের ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, ইউপি সদস্য মো. সেন্টু হাওলাদারের বসতঘরের পাশেই রয়েছে তাঁর ভাইয়ের ছেলে মো. কামরুল ইসলামের বসতবাড়ি। সেন্টু হাওলাদারের বাড়ির টয়লেটের সেফটি ট্যাংকটি দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা অবস্থায় রয়েছে বলে অভিযোগ করেন কামরুল ইসলাম। তাঁর দাবি, ট্যাংক থেকে বর্জ্য ও দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। পারিবারিক বিরোধের জেরে ইউপি সদস্যকে বারবার বিষয়টি জানানো হলেও সেফটি ট্যাংকটি মেরামত না করে খোলা অবস্থায় রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর।
কামরুল ইসলাম বলেন, “সেফটি ট্যাংক খোলা থাকায় আমি পরিবার নিয়ে ঠিকমতো বসবাস করতে পারছি না। ঘরে বসে খাবার খেতে পারি না। এ বিষয়টি নিয়ে এলাকার বিভিন্ন মানুষের কাছে অনেকবার বলা হয়েছে। এমনকি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের কাছেও বিষয়টি জানিয়েছি। কিন্তু কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, “সেন্টু ইউপি সদস্য হওয়ায় ক্ষমতা দেখিয়ে এসব করছেন।” তাঁর দাবি, সেফটি ট্যাংকটি দ্রুত মেরামত করে নিরাপদভাবে ঢেকে দেওয়া হলে তাঁর পরিবার স্বাভাবিক পরিবেশে বসবাস করতে পারবে।
কামরুল ইসলামের অভিযোগ, তাঁর বাড়ির একেবারে পাশে সেফটি ট্যাংকটি থাকায় দুর্গন্ধ ও নোংরা পরিবেশের কারণে পরিবারের সদস্যদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে ছোট শিশুদের নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। এতে শিশুদের চলাফেরা ও বসবাসের পরিবেশে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তিনি।
তবে কামরুল ইসলামের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি সদস্য মো. সেন্টু হাওলাদার।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য সেন্টু হাওলাদার বলেন, “আমার টয়লেটের সেফটি ট্যাংক কোথাও ভাঙা নেই। এমনকি কোনো দুর্গন্ধও বের হয় না। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।”
বালিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, “ইউপি সদস্যের বাড়ির সেফটি ট্যাংকের বিষয়টি আমাকে জানানো হয়েছে। আমি ইউপি সদস্যের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করব।”
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























মন্তব্য: