কুড়িগ্রামে শিশুর মরদেহ উদ্ধার: প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে বলাৎকার ও হত্যার অভিযোগ | বিডি-প্রেস 24 ডট কম

কুড়িগ্রামে শিশুর মরদেহ উদ্ধার: প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে বলাৎকার ও হত্যার অভিযোগ

9 September 2025, 4:45:44

কুড়িগ্রামে শিশুর মরদেহ উদ্ধার: প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে বলাৎকার ও হত্যার অভিযোগ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃম ৮ সেপ্টেমবর সোমবার ২০২৫। 
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হলো ৮ বছরের শিশু মুরসালিনের মরদেহ। পরিবারের অভিযোগ, প্রতিবেশী যুবক মমিনুল ইসলাম (২২) তাকে বলাৎকারের পর হত্যা করে লাশ গোপন করতে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মমিনুল পলাতক রয়েছে।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ছিট মালিয়ানি গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত মুরসালিন স্থানীয় মশিউর রহমান মুছা ও মন্জু দম্পতির ছোট ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে মুরসালিনের বড় ভাইয়ের বিয়ের আলোচনার সময় মমিনুল শিশুটিকে একাধিকবার ডেকে নিয়ে যায়। পরে কৌশলে নিজ ঘরে নিয়ে মোবাইলে ভিডিও দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে বলাৎকার শেষে হত্যা করে। সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু করলে পরিবারের সন্দেহ পড়ে মমিনুলের দিকেই। তবে মমিনুলের পরিবার শিশুটির কোনো খোঁজ জানে না বলে অস্বীকার করে।

অবশেষে শনিবার রাতে দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর মমিনুলের বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় উত্তেজিত জনতা মমিনুলের বাড়ি ও তার নানার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও বাড়িঘর পুড়ে যায়।

এ ঘটনায় পুলিশ মমিনুলের মা মহসেনা বেগম, বোন ফাহিমা খাতুন, প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মঞ্জু বেগমকে আটক করেছে। তবে মূল আসামি মমিনুলসহ তার বাবা ফরিদ উদ্দিন, ভায়রা আব্দুল্লাহ ও শ্যালক মাসুম মিয়া এখনও পলাতক।

নাগেশ্বরী থানার ওসি রেজাউল করিম রেজা বলেন, “ঘটনার পরপরই মামলা দায়ের করা হয়েছে। শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রামে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।

এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য: