কহুয়া নদীর বেড়িবাঁধ পূন মেরামত জনির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মুখর এলাকাবাসী | বিডি-প্রেস 24 ডট কম

কহুয়া নদীর বেড়িবাঁধ পূন মেরামত জনির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মুখর এলাকাবাসী

30 April 2026, 9:48:49

কহুয়া নদীর বেড়িবাঁধ পূন মেরামত জনির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মুখর এলাকাবাসী

সবীর আহমেদ ফোরকান, পরশুরাম প্রতিনিধি:

দক্ষিণ খোলাপাড়া সংলগ্ন কহুয়া নদীর বেড়িবাঁধ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের দাবি, কহুয়া নদীর এই বেড়িবাঁধটি ২০২৪ সালের বন্যায় প্রথম ভাঙনের শিকার হয়। পরবর্তীতে একই স্থান দিয়ে ২০২৫ সালেও পুনরায় ভাঙন দেখা দেয়, যার ফলে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগে পড়েন। ভাঙনরোধে একাধিকবার সংস্কার কাজ করা হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।

এ অবস্থায় পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে ৮০ মিটার বেড়িবাঁধ সংস্কারের কাজ অনুমোদন দেয়। এই কাজের দায়িত্ব পান কাজী জহিরুল করিম জনি। তিনি নিজস্ব জমি থেকে মাটি সংগ্রহ করে দ্রুত সংস্কারকাজ এগিয়ে নিচ্ছেন। তবে কাজ চলাকালীন সময়ে তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়। সেখানে দাবি করা হয়, তিনি নাকি মামলা-হামলার ভয় দেখিয়ে মাটি সংগ্রহ করছেন।

কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় বাসিন্দারা এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তারা জানান, দক্ষিণ খোলাপাড়া, সলিয়া, বেড়াবাড়িয়া, সাতকুচিয়া ও আশপাশের এলাকার মানুষের জন্য এই বেড়িবাঁধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্ষা মৌসুমে নদীর ভাঙন ও জলাবদ্ধতা থেকে জনপদ রক্ষায় এই বাঁধের বিকল্প নেই।

স্থানীয়দের ভাষ্য, একটি মহল ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক তথ্য ছড়াচ্ছে। এতে জনমনে অযথা উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। তারা অবিলম্বে এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এলাকাবাসী আরও বলেন, জনস্বার্থে চলমান এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারকাজে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। উন্নয়নমূলক কাজে বাধা বা অপপ্রচার সৃষ্টি না করে সত্য তথ্য যাচাই করে মন্তব্য করার আহ্বান জানান তারা।

বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।

এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য: