উইজডেনের শতাব্দীর সেরা টেস্ট সিরিজে জায়গা পেল বাংলাদেশের দুটি লড়াই
উইজডেনের শতাব্দীর সেরা টেস্ট সিরিজে জায়গা পেল বাংলাদেশের দুটি লড়াই

স্পোর্টস ডেস্ক | ১৬ আগস্ট শনিবার ২০২৫
একবিংশ শতাব্দীর সেরা ১৫টি টেস্ট সিরিজের তালিকা প্রকাশ করেছে ক্রিকেট বিষয়ক বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন উইজডেন। এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের দুই ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা—একটি স্মরণীয় জয়ের, আরেকটি অপ্রত্যাশিত হারের।
তালিকার ১৫ নম্বরে রয়েছে ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সিরিজ। সেই সিরিজেই আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় তরুণ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের। চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টে সাব্বির রহমানের লড়াকু ব্যাটিং সত্ত্বেও জয় হাতছাড়া হয় টাইগারদের। তবে মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্টে মিরাজের ঘূর্ণিতে ঘটে ইতিহাস। ২৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ড ১০০ রানে বিনা উইকেটে থেকে ১৬৪ রানে গুটিয়ে যায়। মিরাজ একাই নেন ৬ উইকেট, বাকিগুলো ভাগ করে নেন সাকিব আল হাসান, নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের ১০৮ রানের জয়।
আরও উচ্চস্থানে, তালিকার ৭ম নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে ২০২১ সালের ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফর। কোভিড-পরবর্তী সময়ে দুর্বল স্কোয়াড নিয়ে আসা ক্যারিবীয়দের নিয়ে খুব একটা আশা ছিল না। কিন্তু চট্টগ্রাম টেস্টে কাইল মেয়ার্সের অবিশ্বাস্য ২১০ রানের অপরাজিত ইনিংসে ৩ উইকেটে জয় পায় অতিথিরা। মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্টেও লড়াই হয় হাড্ডাহাড্ডি, তবে শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
তালিকার অন্যান্য আলোচিত সিরিজের মধ্যে আছে ২০২৩ সালের অ্যাশেজ (৪র্থ স্থানে), যেখানে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ ২-২ সমতায় শেষ হয়। ৫ম স্থানে রয়েছে অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফি, ইংল্যান্ড ও ভারতের পাঁচ ম্যাচের সিরিজ, যা ২-২ ব্যবধানে ড্র হয়েছিল।
সবশেষে, একুশ শতকের সেরা টেস্ট সিরিজ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ২০২০-২১ মৌসুমে ভারতের অস্ট্রেলিয়া সফর। প্রথম টেস্টে মাত্র ৩৬ রানে অলআউট হওয়া সত্ত্বেও ভারত অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে। উইজডেন একে আখ্যা দিয়েছে “প্রত্যাবর্তনের সবচেয়ে সুন্দর গল্প”।
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























মন্তব্য: