- দিনাজপুরের বিরামপুরে একের পর এক অভিযোগ: জনদুর্ভোগ,শিক্ষা খাতে অনিয়ম ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
- আল-আমিন ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষার্থীদের দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
- পটিয়ার ছনহরা ইউনিয়নে সাবেক ইউপি সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ কায়সার মিয়াকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ: এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া
পটুয়াখালীতে আমতলীর শ্রমিক দল সভাপতিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা
পটুয়াখালীতে আমতলীর শ্রমিক দল সভাপতিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা

মাইনুল ইসলাম রাজু, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালী সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ বাজারঘোনা এলাকায় মঙ্গলবার রাতে ফারুক ডাক্তারের বাড়ির সামনে মো. রিপন কাজী (৩৫) নামে আমতলীর এক শ্রমিক দল সভাপতিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহতের পরিবারের দাবি, পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
নিহত রিপন কাজী বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের কালিবাড়ী গ্রামের মিজানুর রহমান কাজীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন এবং গুলিশাখালী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
নিহতের চাচাতো ভাই রাজীব কাজী অভিযোগ করে বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি ও রিপন কাজী মোটরসাইকেলে করে পাশের পটুয়াখালী জেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের গগনখা বাজারে যান। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাত সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণ বাজারঘোনা এলাকার ফারুক ডাক্তারের বাড়ির সামনে পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা রিপনের চাচাতো ভাই রাসেল কাজী, রিফাত কাজী, সোহাগ কাজী ও রাহাত কাজীর নেতৃত্বে ৮-১০ জন যুবক তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা ধারালো রামদা, দা ও লাঠি নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।
তিনি আরও বলেন, হামলার সময় প্রাণ বাঁচাতে তিনি পাশের একটি খালে ঝাঁপ দেন। পরে সেখান থেকে উঠে এসে দেখেন, রিপন কাজী রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছেন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পটুয়াখালী সদর থানা ও আমতলী থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহতের মা আমেনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে রাসেল কাজী, রিফাত কাজী, সোহাগ কাজী ও রাহাত কাজীর নেতৃত্বে ৮-১০ জন যুবক তার ছেলেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে। তিনি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।
আমতলী উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি তারিকুল ইসলাম সোহাগ বলেন, রিপন কাজী গুলিশাখালী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি ছিলেন। তার হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, নিহত রিপন কাজী আমতলী থানার বাসিন্দা হওয়ায় আমতলী থানার পুলিশের একটি দল পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশকে তদন্তে সহায়তা করছে।
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























মন্তব্য: