চরফ্যাশনে বালুভর্তি ট্রলির চাপায় ১০ম শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু, লাশ কাঁধে নিয়ে “সহপাঠীদের ক্ষোভ” | বিডি-প্রেস 24 ডট কম
হোম / দূর্ঘটনা / বিস্তারিত

চরফ্যাশনে বালুভর্তি ট্রলির চাপায় ১০ম শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু, লাশ কাঁধে নিয়ে “সহপাঠীদের ক্ষোভ”

2 July 2026, 3:09:05

চরফ্যাশনে বালুভর্তি ট্রলির চাপায় ১০ম শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু, লাশ কাঁধে নিয়ে "সহপাঠীদের ক্ষোভ"

মোঃ নুর হোসেন,চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার চেয়ারম্যান বাজার-শশীভূষণ আঞ্চলিক সড়কে বালুভর্তি ট্রলির ধাক্কায় লিয়া আক্তার (১৫) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) সকাল পৌনে ১০টার দিকে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত লিয়া আক্তার চেয়ারম্যান বাজার ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী। তিনি শশীভূষণ থানাধীন হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রফিকুল ইসলামের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, প্রতিদিনের মতো বুধবার সকালে লিয়া মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। চেয়ারম্যান বাজার-শশীভূষণ আঞ্চলিক সড়কে পৌঁছালে পিছন দিক থেকে আসা বালুভর্তি একটি ট্রলি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর ট্রলিচালক ট্রলি ফেলে পালিয়ে যায়।
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে সহপাঠীরা লিয়ার মরদেহ কাঁধে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং চেয়ারম্যান বাজার-শশীভূষণ আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় তারা “বোনের হত্যার বিচার চাই”, “ঘাতক চালকের বিচার চাই” এবং “নিরাপদ সড়ক চাই” স্লোগান দেন। এতে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সড়ক থেকে অবরোধ তুলে দেওয়া হয়। এরপর মরদেহের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ হাসান বলেন, “ছাত্রী নিহতের ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক ট্রলিটি জব্দ করা হয়েছে।”

বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।

এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য: