আলাস্কা বৈঠকে পুতিনের নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে ‘মলমূত্রবাহী স্যুটকেস’ নিয়ে চাঞ্চল্য
আলাস্কা বৈঠকে পুতিনের নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে ‘মলমূত্রবাহী স্যুটকেস’ নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেক্স রিপোর্টঃ ১৯ আগস্ট মঙ্গলবার ২০২৫।
গত সপ্তাহে আলাস্কায় অনুষ্ঠিত রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ সম্মেলনের প্রস্তুতির সময়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে একটি বিস্ময়কর প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়েছে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিদেশ সফরের সময় তার নিরাপত্তারক্ষীরা সঙ্গে একটি বিশেষ ‘মল-মূত্র সংগ্রহের স্যুটকেস’ বহন করেন।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পুতিনের নিরাপত্তারক্ষীরা তার মল-মূত্র সংগ্রহ করে বিশেষ ব্যাগে ভরে স্যুটকেসের মধ্যে রাখেন এবং রাশিয়ায় ফেরত পাঠান। এটি পুতিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি অংশ, যার উদ্দেশ্য বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যাতে তার বর্জ্যের নমুনা সংগ্রহ করতে না পারে। কারণ এসব নমুনা পরীক্ষা করে তার স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সংবেদনশীল তথ্য পাওয়া সম্ভব।
ফ্রান্সের সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন ‘প্যারিস ম্যাচ’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রথমবার এই প্রথার তথ্য সামনে আসে। অনুসন্ধানী সাংবাদিক রেজিস জেন্টে ও মিখাইল রুবিন জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের ফেডারেল প্রোটেকশন সার্ভিসের (এফপিএস) সদস্যরা এই দায়িত্বে থাকেন। ধারণা করা হয়, এটি বহু বছর ধরে চালু আছে।
বিবিসির সাংবাদিক ফরিদা রুস্তামোভা দাবি করেন, পুতিন ক্ষমতায় আসার পর ১৯৯৯ সাল থেকে এই ব্যবস্থা চালু হয়েছে। ২০১৭ সালে তিনি পুতিনের ফ্রান্স সফরের সময় এই বিষয়ে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। ওই সময়ে পুতিন ভিয়েনা সফরের সময় একটি পোর্টেবল টয়লেটও ব্যবহার করেছিলেন।
প্রতিবেদনগুলো এমন সময়ে প্রকাশিত হলো যখন পুতিনের স্বাস্থ্য নিয়ে বিভিন্ন জল্পনা চলছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একটি বৈঠকের ভিডিওতে তার পায়ে কাঁপুনি দেখা দেয়, যা থেকে গুজব ছড়ায় যে ৭২ বছর বয়সী পুতিন পারকিনসন রোগে ভুগছেন। ২০২৩ সালে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কো এবং কাজাখস্তানের সংবাদ সম্মেলনের সময়ও তার শরীরে একই ধরনের কাঁপানি দেখা গিয়েছিল।
২০২২ সালে ‘এক্সপ্রেস ইউএস’ প্রতিবেদনে বলা হয়, জেনারেল এসভিআর টেলিগ্রাম চ্যানেলে গুজব ছড়ানো হয়েছিল যে, পুতিন পড়ার পর মলত্যাগ করেছিলেন। ক্রেমলিন তখন এসবকে ভিত্তিহীন বলেই উড়িয়ে দেয়।
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























মন্তব্য: