হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাসের শ্রীমঙ্গলে যাত্রাবিরতির দাবীতে মানববন্ধন
হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাসের শ্রীমঙ্গলে যাত্রাবিরতির দাবীতে মানববন্ধন

দেওয়ান মাসুকুর রহমান, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ
হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেস (বিরতিহীন) ও এসএমএস—এই দুই বাস পরিবহন সার্ভিসের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিরোধের প্রভাব পড়েছে সাধারণ যাত্রীদের ওপর। এর ফলে শ্রীমঙ্গল শহর থেকে হবিগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ ও মিরপুরগামী যাত্রীরা আগের মতো সরাসরি বিরতিহীন বাসে ওঠানামার সুযোগ পাচ্ছেন না। এতে শিক্ষার্থী, রোগী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী, নারী, শিশু, বয়স্ক ও পর্যটকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করে বিকল্প পরিবহনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
এ অবস্থায় শ্রীমঙ্গল শহরে হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেস (বিরতিহীন) বাস পরিবহন সার্ভিসের পূর্বের যাত্রাবিরতি অবিলম্বে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ ও ভুক্তভোগী যাত্রীরা। একই সঙ্গে পরিবহন মালিকদের বিরোধের দায় যেন সাধারণ যাত্রীদের বহন করতে না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপেরও দাবি জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১১টায় শ্রীমঙ্গল শহরের চৌমুহনা চত্বরে আয়োজিত এক মানববন্ধন ও সমাবেশের বক্তারা এ দাবি জানান।
সংস্কৃতিকর্মী ও সংগীতশিল্পী মো. তারেক ইকবাল চৌধুরীর সঞ্চালনায় আয়োজিত এ মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য দেন ইংরেজি দৈনিক দ্য ফিনান্সিয়াল পোস্ট ও সাপ্তাহিক নতুন কথার বিশেষ প্রতিনিধি, আরপি নিউজের সম্পাদক ও কলামিস্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান; হবিগঞ্জ ঐক্য উন্নয়ন সংস্থার শ্রীমঙ্গল শাখার মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও সাবেক উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিতালী দত্ত, হবিগঞ্জ ঐক্য উন্নয়ন সংস্থার শ্রীমঙ্গল শাখার কোষাধ্যক্ষ সুলতান আহমদ, হবিগঞ্জ ঐক্য উন্নয়ন সংস্থার শ্রীমঙ্গল শাখার সদস্য মো. ওয়াহিদ হাসান, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য মো. কাওছার ইকবাল, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ ছায়েদ আহমদ প্রমূখ।
কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাসের শ্রীমঙ্গলে যাত্রাবিরতির দাবীতে ভুক্তভোগী যাত্রী ও সর্বস্তরের জনগণের চলমান এ আন্দোলনের প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করে বলেন, পূর্বে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস সার্ভিস শ্রীমঙ্গল শহরে নিয়মিত যাত্রাবিরতি দিত। এতে শ্রীমঙ্গলের যাত্রীরা সরাসরি বাসে হবিগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় যাতায়াত করতে পারতেন। কিন্তু বর্তমানে যাত্রাবিরতি না থাকায় যাত্রীদের একাধিকবার বাস পরিবর্তন করতে হচ্ছে। এতে যাতায়াতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে।
শ্রীমঙ্গলের ভুক্তভোগী যাত্রী ও সর্বস্তরের জনগণের এ মানববন্ধন ও সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জ ঐক্য উন্নয়ন সংস্থার শ্রীমঙ্গল শাখার সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক নীহার রঞ্জন দেবনাথ। তিনি বলেন, শ্রীমঙ্গল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র উল্লেখ বলেন, দেশ-বিদেশ থেকে প্রতিদিন পর্যটকরা এ এলাকায় আসেন। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এ জনপদের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী জেলা ও উপজেলাগুলোর সরাসরি সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ ও যাত্রীবান্ধব হওয়া প্রয়োজন। পরিবহনসংশ্লিষ্ট বিরোধের কারণে এ যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়।
সঞ্চালনার বক্তব্যে মো. তারেক ইকবাল চৌধুরী বলেন, হবিগঞ্জ-সিলেট সড়কপথে শ্রীমঙ্গল একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। প্রতিদিন শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ, মিরপুর ও সিলেটসহ বিভিন্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষ যাতায়াত করেন। শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি, পারিবারিক প্রয়োজন ও পর্যটন—বিভিন্ন কারণে এ অঞ্চলের মানুষের আন্তঃজেলা যোগাযোগের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা রয়েছে।
তারেক ইকবাল চৌধুরীর প্রশ্ন, দুটি পরিবহন প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক বিরোধের দায় কেন সাধারণ যাত্রীদের বহন করতে হবে? একটি পরিবহন-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে শ্রীমঙ্গলসহ আশপাশের এলাকার হাজার হাজার মানুষ কেন স্বাভাবিক যাতায়াতের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন—এ প্রশ্নও তিনি তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, বিশেষ করে নারী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ যাত্রীদের জন্য বারবার যানবাহন পরিবর্তন করে গন্তব্যে পৌঁছানো অত্যন্ত দুর্ভোগের। পরিবার-পরিজন নিয়ে যাতায়াতকারী যাত্রীদের ক্ষেত্রেও এ পরিস্থিতি বাড়তি বিড়ম্বনা তৈরি করছে।
মানববন্ধন থেকে তিন দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস সার্ভিসের শ্রীমঙ্গল শহরে পূর্বের যাত্রাবিরতি অবিলম্বে পুনর্বহাল করে যাত্রী ওঠানো ও নামানোর সুযোগ নিশ্চিত করা; কোনো পরিবহন ব্যবসায়িক বিরোধের কারণে কোনো এলাকার সাধারণ যাত্রীদের পরিবহন সুবিধা বন্ধ না করা এবং শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জগামী যাত্রীদের জন্য নিয়মিত, নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব বিরতিহীন বাস সার্ভিস নিশ্চিত করা।
তিনি জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), সংশ্লিষ্ট পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান।
এর আগেও একই দাবিতে সাধারণ জনগণের পক্ষে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. তারেক ইকবাল চৌধুরী। এ দাবির সমর্থনে বর্তমানে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযানও অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বক্তারা বলেন, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল, মিরপুর, শায়েস্তাগঞ্জ ও হবিগঞ্জ এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষ ব্যবসা, চাকরি, শিক্ষা, চিকিৎসা ও পারিবারিকসহ নানা প্রয়োজনে নিয়মিত এসব এলাকার মধ্যে যাতায়াত করেন। দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস সার্ভিস এ অঞ্চলের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
তবে হবিগঞ্জ এক্সপ্রেস (বিরতিহীন) ও এসএমএস সার্ভিসের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণে শ্রীমঙ্গলের যাত্রীদের এ বাসে ওঠানামার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
এর ফলে শ্রীমঙ্গল থেকে মিরপুর, শায়েস্তাগঞ্জ বা হবিগঞ্জগামী যাত্রীদের অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করে বিকল্প পরিবহনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। বিশেষ করে জরুরি চিকিৎসা, শিক্ষা, চাকরি কিংবা ব্যবসায়িক কাজে যাতায়াতকারী মানুষের জন্য এ পরিস্থিতি বাড়তি ভোগান্তি সৃষ্টি করছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
বক্তারা আরও বলেন , হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস শ্রীমঙ্গলের ওপর দিয়ে চলাচল করলেও শ্রীমঙ্গল থেকে যাত্রী ওঠানো কিংবা ফেরার পথে যাত্রী নামিয়ে দেওয়ার সুযোগ না থাকায় সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে পরিবার-পরিজন নিয়ে চলাচলকারীরা সমস্যায় পড়ছেন। বিষয়টিকে অমানবিক ও যাত্রীস্বার্থবিরোধী উল্লেখ করে দ্রুত সমাধানের দাবি জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, হবিগঞ্জ বিরতিহীন ও এসএমএস সার্ভিসের মধ্যকার বিরোধ যাই হোক না কেন, তার প্রভাব যেন সাধারণ যাত্রীদের ওপর না পড়ে। একটি রুটে পরিবহন চলাচল করার পরও মাঝপথের গুরুত্বপূর্ণ জনপদ শ্রীমঙ্গল থেকে যাত্রী ওঠানামার সুযোগ না থাকা স্বাভাবিক আন্তঃজেলা যোগাযোগব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
তাদের মতে, পরিবহন মালিক বা শ্রমিক সংগঠনগুলোর মধ্যে কোনো বিরোধ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত আলোচনার মাধ্যমে তার সমাধান করা। কিন্তু বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যাত্রীদের চলাচল বন্ধ বা সীমিত রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
জেলা প্রশাসনকে জেলার অভিভাবক হিসেবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে হবিগঞ্জ বিরতিহীন ও এসএমএস সার্ভিসের মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে, নিরাপদে ও স্বাভাবিকভাবে যাতায়াত করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
কাওছার ইকবাল বলেন, সাধারণ মানুষের যাতায়াতের অধিকার ও ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি। পরিবহনসংশ্লিষ্টদের বিরোধের কারণে সাধারণ যাত্রীরা কেন দুর্ভোগ পোহাবেন—এ প্রশ্নের সমাধানও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে করতে হবে।
স্থানীয়দের মতে, শ্রীমঙ্গল শুধু মৌলভীবাজার জেলার একটি উপজেলা নয়; এটি বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন ও বাণিজ্যিক জনপদ। চা-বাগান, পর্যটনকেন্দ্র ও ব্যবসা-বাণিজ্যের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন এখানে মানুষের আগমন ঘটে। একই সঙ্গে শ্রীমঙ্গল ও হবিগঞ্জের মধ্যে শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানকেন্দ্রিক মানুষের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।
এ কারণে শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ ও মিরপুরের সঙ্গে সহজ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করা শুধু স্থানীয় মানুষের স্বার্থেই নয়, বৃহত্তর আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তাদের প্রত্যাশা, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে দ্রুত আলোচনা করে বিরোধের একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করা হবে। একই সঙ্গে শ্রীমঙ্গল শহরে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাসের পূর্বের যাত্রাবিরতি পুনর্বহাল করে যাত্রী ওঠানামার সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, পরিবহন খাতের ব্যবসায়িক স্বার্থের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চলাচলের অধিকারকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। বিরোধ যার সঙ্গেই থাকুক, তার খেসারত যেন শ্রীমঙ্গলসহ এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষকে দিতে না হয়—এটাই এখন তাদের মূল প্রত্যাশা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শ্রীমঙ্গল একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা। প্রতিদিন শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা বাণিজ্যসহ নানা প্রয়োজনে শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জ ও সিলেটমুখী বিপুলসংখ্যক মানুষ যাতায়াত করেন। অথচ হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিবহনে শ্রীমঙ্গলের কোনো স্টপেজ না থাকায় সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
বিশেষ করে নারী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। শ্রীমঙ্গল থেকে যাত্রীরা বাসে উঠতে না পেরে অনেক সময় অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করে অন্য পরিবহনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছেন। আবার কেউ কেউ গন্তব্যের আগে বা পরে নেমে অতিরিক্ত যানবাহন ব্যবহার করতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ছেন। বক্তাদের ভাষায়, একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের মানুষের জন্য এমন পরিবহন বৈষম্য কোনোভাবেই কাম্য নয়।
বক্তারা আরও বলেন, শ্রীমঙ্গলবাসী কোনো বিশেষ সুবিধা চাইছে না; তারা তাদের ন্যায্য অধিকার ও যাতায়াতের সুযোগটুকুই চাইছে। দ্রুত হবিগঞ্জ সিলেট এক্সপ্রেসের শ্রীমঙ্গল স্টপেজ চালু না হলে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাধারণ যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা প্রতিদিনের যাত্রী। আমাদের কষ্টের কথা শুনবে কে? একটি বাসে শ্রীমঙ্গলে স্টপেজ দিলে যদি শত শত মানুষের সময়, শ্রম ও অর্থ বাঁচে, তাহলে সেই দাবি বাস্তবায়নে এত অনীহা কেন?
মানববন্ধন থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত বিষয়টি বিবেচনা করে হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেস বিরতিহীন বাসের শ্রীমঙ্গলে স্টপেজ দেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়।
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























মন্তব্য: