মোল্লাহাটের কোদালিয়া কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার, থানায় হত্যার অভিযোগ; মৃত্যু ঘিরে রহস্য
মোল্লাহাটের কোদালিয়া কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার, থানায় হত্যার অভিযোগ; মৃত্যু ঘিরে রহস্য

কে এম মাহামুদুল হক,মোল্লাহাট, বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার কোদালিয়া গ্রামে জান্নাতি (১৪) নামে এক কিশোরীর মরদেহ মাছের ঘের থেকে উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কিশোরীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভোরে বাড়ির পাশের একটি মাছের ঘেরের পাড়ে তাল টোকাতে যায় জান্নাতি। দীর্ঘ সময় বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘেরের অল্প পানির মধ্যে তাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেখান থেকে উদ্ধার করার পর স্বজনরা বুঝতে পারেন, সে আর জীবিত নেই। পরিবার থেকে জান্নাতির দাফনের সকল ব্যবস্থা শুরু হয়। অপরদিকে জান্নাতির মামা আল-আমিন সরদার খবর পেয়ে মোল্লাহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেন, জান্নাতিকে হত্যা করে পানিতে ফেলে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, জান্নাতির বাবা সৌদি আরব প্রবাসী। মা-বাবার বিবাহবিচ্ছেদের পর তার মা অন্যত্র বসবাস করলেও জান্নাতি দাদির কাছে চাচার বাড়িতে থাকত।
অভিযোগ পেয়ে মোল্লাহাট থানা পুলিশ তাদের বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে।
এদিকে ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়েছে। কেউ বলছেন, মাথায় তাল পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে; আবার কেউ সাপের কামড়ের আশঙ্কার কথাও বলছেন। তবে এসব বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি বা চিকিৎসাগত নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের দাবি, ময়নাতদন্ত ও পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে কিশোরীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
মোল্লাহাট থানা অফিসার ইনচার্জ কাজী রমজানুল হক জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























মন্তব্য: