সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবদুল কুদ্দুসের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবদুল কুদ্দুসের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

নাটোর জেলা প্রতিনিধি :
নাটোরের গুরুদাসপুরে আওয়ামী লীগের প্রয়াত সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবদুল কুদ্দুসের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে পৌর শহরের কাছাড়িপাড়া মহল্লায় তাঁর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
হামলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, প্রায় ৩০টি মোটরসাইকেলে করে একদল লোক বাড়িটির সামনে আসে। পরে তারা প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে ভবনের দরজা-জানালা লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে জানালার কাচ ও সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে যায়। প্রায় ১০ মিনিট পর হামলাকারীরা চলে যান। পরে বাড়ির ফটকের সামনে ভাঙা কাচ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
আবদুল কুদ্দুসের ছেলে আসিফ আব্দুল্লাহ বিন কুদ্দুস বলেন, সকালে গুরুদাসপুর পৌরসভার সামনে থেকে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের সমন্বয়ে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলের লোকজনই তাঁদের বাড়িতে হামলা চালিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।
আসিফ বলেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে আমি ফেসবুকে বিদ্যুতের দুরবস্থা নিয়ে লিখেছি। আমার ধারণা, এ কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা (বিএনপি) আমাদের বাড়িতে হামলা করেছেন। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয়।’
তবে হামলার অভিযোগের বিষয়ে বিএনপি, যুবদল বা ছাত্রদলের কোনো নেতার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
আবদুল কুদ্দুস ১৯৯৬ থেকে ২০০১ মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকারের মৎস্য ও পশুসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পাঁচবারের নির্বাচিত এই নেতা ২০২৩ সালের ৩১ আগস্ট মারা যান। পরিবারের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে গুরুদাসপুরের বাড়িটি তালাবদ্ধ রয়েছে।
এর আগে শনিবার গভীর রাতে নাশকতার মামলায় কারাগারে থাকা গুরুদাসপুর পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম ওরফে সবুজ ফকিরের বাড়িতেও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। পরিবারের দাবি, দুর্বৃত্তরা বাড়ি থেকে প্রায় সাত ভরি স্বর্ণালংকার ও দেড় লাখ টাকা নিয়ে গেছে।
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াজ হাসান বলেন, একটি মিছিল যাওয়ার সময় সাবেক প্রতিমন্ত্রীর বাড়িতে হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। তবে এ ঘটনায় কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























মন্তব্য: