লেবাননে ইসরাইলের বোমা হামলায় প্রাণ গেল বাংলাদেশের ফরিদপুর প্রবাসীর | বিডি-প্রেস 24 ডট কম

লেবাননে ইসরাইলের বোমা হামলায় প্রাণ গেল বাংলাদেশের ফরিদপুর প্রবাসীর

11 April 2026, 3:15:47

লেবাননে ইসরাইলের বোমা হামলায় প্রাণ গেল বাংলাদেশের ফরিদপুর প্রবাসীর

মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের চর হাজিগঞ্জ গ্রামের চর শালেপুর ওয়ার্ডের শেখ মোফাজ্জলের মেয়ে দিপালী খাতুন
নিহতের স্বজন ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। বৈরুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় দিপালী খাতুন নামের এক বাংলাদেশি নারী নিহত হয়েছেন।
বুধবার (৮ এপ্রিল) লেবাননের বৈরুতের হামরা এলাকায় তার কফিলের পরিবারের সঙ্গে অবস্থানকালে ইসরায়েলের হামলায় তিনি নিহত হন।চরভদ্রাসন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি শামীম রেজা জাগো নিউজকে বলেন, খবর পেয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হয়। পরিবারে এখন শোকের মাতম চলছে।
দিপালী খাতুনের ছোট বোন লাইজু খাতুন জাগো নিউজকে বলেন, ‌‘২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে আমার বড় বোন দিপালী খাতুন লেবাননে যান। সেখানে তিনি একটি বাসায় কাজ করতেন। সবশেষ ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টার দিকে বোনের সঙ্গে কথা হয়। তারপর থেকে তাকে আর ফোনে ও ইন্টারনেটে পাইনি।’বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলেও তার মোবাইলের সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায় বলে জানান লাইজু খাতুন। তিনি বলেন, ‘আমার বোন লেবাননে যেখানে থাকতেন তার বাসার পাশে একটি মুদি দোকান থেকে কেনাকাটা ও বিকাশে দেশে টাকা পাঠাতেন। বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১টা ৩৭ মিনিটে আমার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে কল করে বোনের মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়।’
দিপালীরা তিন বোন ও দুই ভাই। তিনি অবিবাহিত ছিলেন বলে জানা গেছে। মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
চর হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেনের মোবাইল একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।বিষয়টি নিশ্চিত করে চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া মমতাজ জাগো নিউজকে বলেন, ‘খবর পেয়ে নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে আমরা কাজ শুরু করেছি। আশা করি দ্রুততম সময়ে তার মরদেহ ফিরিয়ে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আমরা পরিবারটির পাশে আছি।’

বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।

এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য: