ভূরুঙ্গামারীতে সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি, ডিলারকে শোকজ
ভূরুঙ্গামারীতে সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি, ডিলারকে শোকজ

মোঃ মিনহাজুল ইসলাম, ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর শিলখুড়ি ইউনিয়নে মেসার্স শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের গুদামের বেড়া ভেঙে ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে বিসিআইসির সার ডিলার মেসার্স শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী তাইফুর রহমান মুকুল বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের গুদামের বেড়া ভেঙে ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি করা হয়েছে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেককে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সবুজ কুমার গুপ্ত এবং উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সাইফুর রহমান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ জানান, সোমবার দুপুর পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ কৃষকদের নিয়ে যাওয়া সারের মধ্য থেকে ১১৫ বস্তা উদ্ধার করা হয়েছে। আরও ২০ থেকে ২৫ বস্তা সার সোমবারের মধ্যে উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, সার ডিলারকে কৃষি অফিস থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। রোববার সার নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে রাতেই পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে সোমবারের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ- পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন জানান, মেসার্স শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী তাইফুর রহমান মুকুল বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
তদন্ত কমিটির সভাপতি সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেক বলেন, “ঘটনাস্থল পরিদর্শনে- প্রত্যক্ষদর্শী, ডিলার ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে সার নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের পর বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।”
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























মন্তব্য: