বর্জ্য এখন কোন সংকট নয় এটি এখন বাণিজ্যিক খাতে পরিণত হয়েছে – কেসিসি প্রশাসক
বর্জ্য এখন কোন সংকট নয় এটি এখন বাণিজ্যিক খাতে পরিণত হয়েছে - কেসিসি প্রশাসক
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
বর্জ্য এখন কোন সংকট নয়, এটি এখন বাণিজ্যিক খাতে পরিণত হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে শলুয়ায় নির্মিত বর্জ্য রিসাইকিং প্লান্টটি চালু হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নতুন দিক উম্মোচিত হবে। কিন্তু এটি পরিচালনার দায়িত্ব প্রাইভেট সেক্টরে ছেড়ে দিলে তারা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে পারবে কিনা তাও ভেবে দেখতে হবে। না পারলে এটা কিভাবে পরিচালনা করা সম্ভব তার জন্য কর্মকর্তা পর্যায়ে আরো সভা আহবানের নির্দেশ দেন।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘‘খুলনা সিটি কর্পোরেশনে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবার পেশাদারিত্ব জোরদারকরণ’’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। রাজকীয় নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সহায়তায় ‘‘বাংলাদেশ নগরভিত্তিক পানিচক্রের টেকসই রূপান্তর’’ প্রকল্পের আওতায় কেসিসি ও এসএনভি যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে। গত ১৮ জুলাই কেসিসি ও এসএনভি’র মধ্যে অনুষ্ঠিত কৌশলগত সভার সিদ্ধান্তের আলোকে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবার মানোন্নয়ন, জবাবদিহিতা এবং পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
মাঠ পর্যায়ের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কাজে কয়েকটি ওয়ার্ড নিয়ে পাইলট কর্মসূচি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি আরো বলেন, তাহলেই ৩১টি ওয়ার্ডে আমাদের কি ধরণের ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন তার সঠিক ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে। একমুখী কাজ থেকে বের হয়ে সম্মিলিতভাবে ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বহুমুখী কাজ করতে পারলে সফল হওয়া সম্ভব হবে বলে কর্মশালায় প্রশাসক উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, ‘‘বাংলাদেশ নগরভিত্তিক পানিচক্রের টেকসই রূপান্তর’’ প্রকল্পটি খুলনাসহ ৪টি সিটি কর্পোরেশন ও ৮টি পৌরসভায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। স্যানিটেশন, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি নিস্কাশন ও সংশ্লিষ্ট নগর পরিসেবার নিরাপত্তা, অন্তর্ভুক্তি ও স্থায়িত্ব উন্নয়নের মাধ্যমে নগরবাসীর স্বাস্থ্য ও জীবনমান উন্নত করাই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। কর্মশালায় প্রাথমিক উৎস থেকে কঠিন বর্জ্য সংগ্রহ সেবার পেশাদারিত্বকরণের আওতায় সেবাদানকারীদের শর্তযুক্ত অনুমতিপত্র/লাইসেন্স প্রদান এবং কর্মসম্পাদন মূল্যায়ন ব্যবস্থা প্রবর্তন, কেসিসি কর্তৃক নির্ধারিত ও অনুমোদিত সার্ভিস চার্জ/ট্যারিফ কাঠামো অনুসারে নাগরিকদের নিকট থেকে সেবা মূল্য নিশ্চিতকরণ, প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহ সেবায় নিয়োজিত সকল ভ্যান গাড়িকে কেসিসি’র নিবন্ধনের আওতায় আনা এবং ওয়ার্ডভিত্তিক সেবার আওতাবহির্ভূত এলাকা, সড়ক ও পরিবার চিহ্নিতকরণের মাধ্যমে সমগ্র মহানগরকে ধাপে ধাপে শতভাগ প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহ সেবার আওতায় আনার পরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া আলোচ্য বিষয়সমূহ বাস্তবায়নে ওয়ার্ড পর্যায়ের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং কঞ্জারভেন্সী বিভাগের কর্মকর্তাগণের সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে কর্মশালায় উল্লেখ করা হয়।
কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, সচিব মো: রেজা রশীদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরাসহ ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কঞ্জারভেন্সী বিভাগরে কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। সঞ্চালনা করেন এসএনভি’র কাস্টার কো-অর্ডিনেটর উজ্জ্বল কুমার দাস।
সর্বশেষ
- প্রকাশক ও সম্পাদক : প্রিন্স মন্ডল অলিফ বার্তা সম্পদাক : মোঃ জাকির হোসেন
- আইটি ইনর্জাচ : আসমা-উল-হুসনা মোবাইল : 01737208208
Developed by bditsupport



