দিনাজপুরের বিরামপুরে নকশা অনুমোদনে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে চাপের মুখে বিরামপুর পৌর প্রশাসন
দিনাজপুরের বিরামপুরে নকশা অনুমোদনে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে চাপের মুখে বিরামপুর পৌর প্রশাসন
মোঃ নয়ন মিয়া দিনাজপুর, জেলা প্রতিনিধিঃ
প্রতি স্বাক্ষরে ১০ হাজার টাকা দাবি”পৌর নক্সাকারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ,তদন্তের আশ্বাস প্রশাসকের
দিনাজপুরের বিরামপুর পৌরসভা-এ গৃহনির্মাণের নকশা অনুমোদনকে কেন্দ্র করে ঘুষ বাণিজ্য,অনিয়ম,দাপ্তরিক হয়রানি ও অতিরিক্ত অর্থ দাবির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে পৌরসভার নক্সাকার এস এম রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পর স্থানীয় জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী মোছাঃ লাবণী খাতুন পৌর প্রশাসকের দপ্তরে দাখিল করা লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, গৃহনির্মাণ ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি উত্তোলনের জন্য প্রয়োজনীয় নকশা অনুমোদনের আবেদন জমা দেওয়ার পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও রহস্যজনকভাবে তার ফাইল ঝুলিয়ে রাখা হয়। সরকারি নির্ধারিত ফি যথাযথ ভাবে পরিশোধের পরও “মিটিং বাবদ” অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ তোলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট নক্সাকারের বিরুদ্ধে। অভিযোগে আরও বলা হয়,নকশা অনুমোদনের জন্য একাধিক কর্মকর্তার স্বাক্ষরের কথা বলে প্রতি স্বাক্ষরে ১০ হাজার টাকা করে দাবি করা হয়। একই সময়ে আবেদন করা অন্য একজনের নকশা দ্রুত অনুমোদন পেলেও তার আবেদন দীর্ঘদিন আটকে রাখা হয় বলে দাবি করেন অভিযোগকারী। এতে তার গৃহনির্মাণ কাজ স্থবির হয়ে পড়ে এবং ব্যাংক ঋণ প্রক্রিয়াও জটিলতার মুখে পড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার নকশা অনুমোদন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই অস্বচ্ছতা,দালালচক্রের দৌরাত্ম্য ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। সাধারণ নাগরিকরা সরকারি সেবা পেতে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও দাবি সচেতন মহলের। এ বিষয়ে পৌরসভার নক্সাকার এস এম রবিউল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,“আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এসব অভিযোগ তোলা হয়েছে।”অন্য দিকে তানজিনা খাতুন অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”সচেতন নাগরিকদের দাবি,পৌরসভার মতো গুরুত্বপূর্ণ জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে নকশা অনুমোদনের নামে কোনো ধরনের ঘুষ,অনিয়ম বা ক্ষমতার অপব্যবহার বরদাশত করা উচিত নয়। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
সর্বশেষ
- প্রকাশক ও সম্পাদক : প্রিন্স মন্ডল অলিফ বার্তা সম্পদাক : মোঃ জাকির হোসেন
- আইটি ইনর্জাচ : আসমা-উল-হুসনা মোবাইল : 01737208208
Developed by bditsupport

