কাঠালিয়া বার্তা’র বিরুদ্ধে সংবাদ চুরি ও অপতথ্য ছড়ানোর অভিযোগ: স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ
কাঠালিয়া বার্তা’র বিরুদ্ধে সংবাদ চুরি ও অপতথ্য ছড়ানোর অভিযোগ: স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ
মো. ইমরান মুন্সি, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া থেকে পরিচালিত ফেসবুকভিত্তিক ই-পোর্টাল ‘কাঠালিয়া বার্তা’র বিরুদ্ধে সংবাদ চুরি এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভ্রান্তিকর অপতথ্য ছড়ানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও পেশাদার সাংবাদিক সমাজ পোর্টালটির এই কর্মকাণ্ডকে ‘তথ্যসন্ত্রাস’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ‘কাঠালিয়া বার্তা’ পোর্টালটি নিয়মিতভাবে অন্য গণমাধ্যমের সংবাদ হুবহু কপি করে নিজেদের নামে চালিয়ে দিচ্ছে। সম্প্রতি সাংবাদিক মো. ইমরান মুন্সি পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) এলাকার একটি ঘটনার ওপর বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করলেও, ‘কাঠালিয়া বার্তা’ সস্তা জনপ্রিয়তা ও ভাইরাল হওয়ার লোভে সুকৌশলে জায়গাটির নাম পরিবর্তন করে ‘ঝালকাঠির নেছারাবাদ’ হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এ ধরনের উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার স্থানীয় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। এছাড়া, ইমরান মুন্সির কঠোর পরিশ্রমে সংগৃহীত প্রতিবেদন অনুমতি ছাড়া প্রচার করে তারা সাংবাদিকতার নৈতিকতাকে চরমভাবে লঙ্ঘন করছে।
অভিযুক্ত পোর্টালটির সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম—যিনি জাতীয় দৈনিক যুগান্তর ও জি টিভি’র প্রতিনিধি, ঝালকাঠি টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী সদস্য এবং কাঠালিয়ার দুটি প্রেসক্লাবের একটির সাধারণ সম্পাদক—তার মতো একজন দায়িত্বশীল পদে থেকে এই ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দেওয়ায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া বার্তা সম্পাদক মো. সাকিবুজ্জামান সবুরের এহেন দায়সারা কর্মকাণ্ডের ফলে প্রকৃত সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। স্থানীয় সংবাদকর্মীরা বলছেন, একটি দায়িত্বশীল নিউজ পোর্টাল পরিচালনার জন্য যে ন্যূনতম নীতিমালা থাকা প্রয়োজন, তা এই পোর্টালটি মানছে না।
নিজেদের মূলধারার সাংবাদিক দাবি করলেও ‘কাঠালিয়া বার্তা’র এহেন কর্মকাণ্ড প্রায়শই বিতর্ক সৃষ্টি করে। এলাকায় দুটি প্রেসক্লাব থাকায় অন্য প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, একটি নামধারী চক্র নিজেদের হীন স্বার্থে কাঠালিয়ার সাংবাদিকদের দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম নষ্ট করছে, যা পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য অত্যন্ত লজ্জা এবং বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠনগুলো এই ধরনের বিভ্রান্তিকর ও চুরিকৃত সংবাদ প্রচারের কর্মকাণ্ডকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। দ্রুত এই ধরনের অপসাংবাদিকতা বন্ধ না করলে পোর্টালটির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে তথ্যের অবাধ প্রবাহে কোনো বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয় এবং সাংবাদিকতার মান অক্ষুণ্ণ থাকে।
সর্বশেষ
- প্রকাশক ও সম্পাদক : প্রিন্স মন্ডল অলিফ বার্তা সম্পদাক : মোঃ জাকির হোসেন
- আইটি ইনর্জাচ : আসমা-উল-হুসনা মোবাইল : 01737208208
Developed by bditsupport

