রবিবার ৩ মে, ২০২৬

পরশুরামের বেড়াবাড়িয়া হুমকির মুখে ২০০ পরিবার, যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা

3 May, 2026 1:04:20
পরশুরামের বেড়াবাড়িয়া হুমকির মুখে ২০০ পরিবার, যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা

‎‎সবীর আহমেদ ফোরকান, পরশুরাম(ফেনী) প্রতিনিধিঃ
‎পরশুরামের দক্ষিণ বেড়াবাড়িয়ায় বর্ষা মৌসুমী কহুয়া নদীর পানি বাড়লেই সড়ক গড়িয়ে পানি ঢুকে প্লাবিত হয়  লোকালয়।এতে প্রায় দুই শতাধিক পরিবার পানিতে তলিয়ে যায়।

‎ভুক্তভোগী গ্রামবাসীরা জানান, পরশুরাম পৌরসভার  দক্ষিণ বেড়াবাড়িয়া গ্রামে প্রায় ২০০ শতাধিক পরিবারের বসবাস। গ্রামের দক্ষিণ পাশে কহুয়া নদীর বেড়িবাঁধ এ গ্রামের মানুষের জন্য যেন মরণফাঁদ। বেড়িবাঁধের উপর দিয়ে কালাপোল থেকে শুরু হয়ে কেবি আজিজ সড়কটি গুথুমা গিয়ে শেষ হয়েছে। দক্ষিণ বেড়াবাড়িয়ার অংশে কহুয়া নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলে সড়কটির প্রায় ৩০০ মিটার বেড়িবাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করতে শুরু করে।

‎দক্ষিণ বেড়াবাড়িয়ায় হাজি জানু মিয়ার দোকানের পাশে ২০২৪ ও ২৫ সালের বন্যায় তিনদফায় প্রায় পঞ্চাশ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যায়। বন্যার পানিতে সড়কের উত্তর পাশে হাজী আবদুল আলী জামে মসজিদের বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়।মানুষের ঘরবাড়ি ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে যায়।   কিছুদিন আগে বাঁধটি মেরামত করা হলেও মেরামত কাজে সন্তুষ্ট নয় গ্রামবাসী।

‎তাদে দাবি,মাটি দিয়ে বেড়িবাঁধ ৫ ফুট উঁচু বা একটি টপ বাঁধ নির্মাণ ও কহুয়া নদী খনন করা হলে বন্যা থেকে রক্ষা পাবে এ অঞ্চলের মানুষ।

‎দক্ষিণ বেড়াবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা আবুল কালাম ‎বলেন, প্রতিবছর বন্যায় নদীর পানি সড়ক দিয়ে উপচে পড়ে বাঁধ ভেঙে যায়। দ্রুত এখানে একটি উঁচু বাঁধ নির্মাণ করা না হলে  দক্ষিণ বেড়াবাড়িয়া গ্রাম বন্যায় বিলীন হয়ে যাবে।বেড়াবারিয়া গ্রামের এই সড়কটি দিয়ে নরনিয়া,মুন্সিরখিল,জমিয়ারগাও ও গুথুমা গ্রামের মানুষ চলাচল করে।সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে। ‎একই কামাল মিয়া, মোঃ আলী, আনদুল করিম ও মোঃ সুমন বলেন, বেড়িবাঁধের ভাঙ্গা অংশটি সম্প্রতি মেরামত করা হলেও দুই পাশে ঢালু না করায় নদীর পানি বাড়লে বাঁধটি ভেঙ্গে যেতে পারে। গত বন্যার সময়ে সড়কের পাশে মাটি ভর্তি বস্তা দিয়ে ‎লোকালয়ে পানি প্রবেশ ঠেকানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সড়কের উপর দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
‎তারা জানান, এখানে উঁচু একটি বাঁধ নির্মাণ করা হলে লোকালয়ে পানি প্রবেশ ঠেকানো সম্ভব হবে।এছাড়া কহুয়া নদী খনন করলে পানি স্বাভাবিক গতিতে প্রবাহিত হবে।

‎ফেনী ১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু বলেছেন, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো
‎চিহ্নিত করে বর্ষার আগে দ্রুত মেরামত করা হবে বলে জানান।

সর্বশেষ

  • প্রকাশক ও সম্পাদক : প্রিন্স মন্ডল অলিফ বার্তা সম্পদাক : মোঃ জাকির হোসেন
  • আইটি ইনর্জাচ : আসমা-উল-হুসনা মোবাইল : 01737208208
অফিস : বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় , ৩৭/৬, আজিমপুর রোড, আজিমপুর, ঢাকা-১২০৫ ইমেইল : buletin247@gmail.com, 01711977369

Developed by bditsupport