বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সংহতি পরিষদ ও সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের ৭ দফা দাবি

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সংহতি পরিষদ ও সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের ৭ দফা দাবি

এইচ এম জাকির ঃ
 শনিবার ১৭- ১০-২০২০ইং রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সংহতি পরিষদ ও বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে সাত দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মোঃ ওয়ারেছ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সংহতি পরিষদের সভাপতি মোঃ নিজামুল ইসলাম ভূঁইয়া মিলন মহাসচিব আলহাজ্ব আমজাদ আলী খান ও বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক খায়ের  আহমেদ মজুমদার। এছাড়াও  বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা অবিলম্বে ৭ দফা দাবি  মেনে নেয়ার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। সাত দফা দাবিগুলো  হলো (১) জাতীয় স্থায়ী বেতন কমিশন গঠন পূর্বক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ১৯৭৩ সালের ১০ ধাপে নবম পে- স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের পার্থক্য ১ঃ৫ হতে হবে। পূর্বের ন্যায় শতভাগ পেনশন প্রথা পুনঃবহাল করতে হবে। (২)  এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি চালুসহ সচিবালয়ের ন্যায় সচিবালয়ের বাহিরের সরকারি কর্মচারীদের পদ ও বেতন বৈষম্য দূর করতে হবে। ব্লক পোস্টধারীদের পদোন্নতির সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। (৩) আউটসোর্সিং পদ্ধতি বাতিল পূর্বক উক্ত পদ্ধতিতে নিয়োগকৃত কর্মচারীদের রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করতে হবে। বিভিন্ন দপ্তর /প্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন খাতে কর্মরত কর্মচারীদের রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করতে হবে। ডাক বিভাগের প্রার্থী প্রথা চালু সহ মাস্টাররোল ও অন্যান্য দপ্তরের কর্মরত মাস্টাররোল,কন্টিজেন্স, ওয়ার্ক চার্জ কর্মচারীদের রাজস্ব খাতে  স্থানান্তর করতে হবে। (৪) সরকারি কর্মচারীদের পূর্বের ন্যায়়় তিনটি টাইমস্কেল,  সিলেকশন গ্রেড ও ও বেতন সমতাকরণ পূর্ণবহাল করতে হবে।  জীবন যাত্রার মান সমুন্নত রাখার স্বার্থে ও টাকার অবমূল্যায়ন এর কারণে এবং দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির বিষয়়  বিবেচনা করে পেনশনের হার ৯০ % থেকে ১০০% গ্র্যাচুইটির হার ১ টাকায় ২৩০ টাকার স্থলে ৪০০ টাকায় উন্নীতকরণ করতে হবে। (৫) ৯ম পে- স্কেল প্রদানেের পূর্ব পর্যন্ত দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্দ্ধগতির বিষয় বিবেচনা করে ৫০% মহার্ঘভাতা অবিলম্বে দিতে হবে। (৬) প্রশাসন ক্যাডারে কর্মরত কর্মচারীদের ১১ থেকে ২০ তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের বিনা সুদে ৩০ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা গৃহনির্মাণ ঋণ দিতে হবে। (৭) চাকুরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর এবং অবসর গ্রহণের বয়স সীমা ৬২ বছর করতে হবে।প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ন‍্যায় অন‍্যান‍্য সকল দপ্তরে পোষ্য কোটা চালু করতে হবে। বক্তারা অতি দ্রুত দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানান।