এনসিপি নেতা মাদকসহ গ্রেফতার ফেসবুকে পোস্ট করায় পোস্ট কারীর বিরুদ্ধে সেই এনসিপি নেতার থানায় মামলা
ফুলবাড়ি, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক এক ইউনিয়ন আহ্বায়কের ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত মিথ্যা ও কুরুচিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে ফুলবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন মোঃ রহিচ উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মোঃ রহিচ উদ্দিন ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির কাশিপুর ইউনিয়ন শাখার সাবেক আহ্বায়ক ও ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার সদস্য। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে অভিযুক্তরা তার ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ছবি ব্যবহার করে পোস্ট করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১২ জুলাই রাত সাড়ে ১২টার দিকে অভিযুক্ত মোঃ রাসেল মিয়ার ফেসবুক আইডিতে রহিচ উদ্দিনের ছবি ও কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্যের ছবি ব্যবহার করে ‘৩৩ কেজি গাঁজাসহ বঙ্গবন্ধু এনসিপির নেতা আতিক’—এমন তথ্য দিয়ে একটি পোস্ট করা হয়। বিষয়টি পরদিন সকালে তার এক শুভাকাঙ্ক্ষী তাকে জানালে তিনি ফেসবুকে গিয়ে পোস্টটি দেখতে পান বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।
পরে একই দিন সকাল ১০টার দিকে রহিচ উদ্দিন কয়েকজন সাক্ষীকে সঙ্গে নিয়ে অভিযুক্ত রাসেল মিয়ার বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় রহিচ উদ্দিন অভিযোগে মোঃ রাসেল মিয়া, মোঃ নুর ইসলাম ও মোঃ আব্দুরুল ইসলামের নাম উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি তাদের সঙ্গে আরও ৭-৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তির যোগসাজশের অভিযোগও করা হয়েছে।
অভিযোগকারী দাবি করেছেন, তার ও জাতীয় নাগরিক পার্টির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই পোস্ট দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে ফুলবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন মোঃ রহিচ উদ্দিন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
