তফসিল ছাড়াই ভোটের হাওয়া।। রুহিয়ায় লড়াইয়ের মাঠে বি এন পির ছয় নেতা
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঠাকুরগাঁওঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের নবগঠিত রুহিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের কোনো তফসিল এখনো ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও মাঠপর্যায়ে নির্বাচনী হাওয়া এখন তুঙ্গে। দেশের একদম নতুন এই প্রশাসনিক ইউনিটের প্রথম ‘অভিভাবক’ হওয়ার দৌড়ে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের মুখে মুখে ঘুরছে স্থানীয় বিএনপির পাঁচ হেভিওয়েট নেতার নাম।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রুহিয়া অঞ্চলে বিএনপির একটি শক্ত সাংগঠনিক ভিত্তি রয়েছে। ফলে নতুন এই উপজেলার প্রথম ঐতিহাসিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে ভেতরে-ভেতরে কোমর বেঁধে নামছেন দলটির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা।
রুহিয়া উপজেলার অলিগলি, হাট-বাজার এবং চায়ের দোকানগুলোতে এখন মূলত পাঁচজন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম জোরেসোরে উচ্চারিত হচ্ছে।
তারা সবাই ঠাকুরগাঁও জেলা ও স্থানীয় বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন:
আনসারুল হক: ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি অবিভক্ত রুহিয়া ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং রুহিয়া থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ছিলেন। এই দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের ভিত্তি এবং জেলা পর্যায়ে শক্ত লবিংয়ের কারণে তিনি আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন।
মহেবুল্লাহ আবু নুর চৌধুরী: ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। একই সাথে তিনি জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মাঠপর্যায়ের কর্মী-সমর্থকদের মাঝে তার বেশ বড় প্রভাব রয়েছে।
মতিউর রহমান: জেলা বিএনপির আরেকজন সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি বর্তমানে সেনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে তার সক্রিয় ভূমিকা তাকে রেসের অগ্রভাগে রেখেছে।
আবদুল জব্বার: রুহিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি ঢোলারহাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। স্থানীয়ভাবে একদম তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সাথে তার প্রাত্যহিক যোগাযোগ, শিক্ষকতার দীর্ঘ ইমেজ এবং সাংগঠনিক নেতৃত্ব তাকে শক্তিশালী অবস্থানে রেখেছে।
এ্যাড, মোঃ জাকির হোসেন জুয়েল তিনি ঢাকা হাইকোর্ট এর এডভোকেট হওয়ার বিএনপির চরম দুঃসময়ে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের বিএনপির নেতাকর্মীদের মামলা দেখা শোনা করেছেন এবং কি তিনি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও এলজিআরডি মন্ত্রীর একান্ত আস্থাশীল। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর লয়ার প্যানেলের একজন অন্যতম সদস্য ছিলেন।
সেই সাথে জাকির হোসেন জুয়েল কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক ও ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে রয়েছে। তিনিও রুহিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন বলে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন।
কাজী আজমগীর: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতা। সদর উপজেলার সাংগঠনিক পরিচিতির কারণে তিনিও এই নতুন উপজেলার নির্বাচনী লড়াইয়ে অন্যতম হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে ম
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
