বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রমকে ‘লাল কার্ড’ দেখানোর আহ্বান শ্রীমঙ্গলের মানববন্ধনে

14 June 2026, 11:02:58

দেওয়ান মাসুকুর রহমান, শ্রীমঙ্গল , মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ

বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‘শিশুশ্রমকে লাল কার্ড দেখাই: শিশুর ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করি, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থান গড়ি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রবিবার (১৪ জুন ২০২৬) সকাল ১১টায় শহরের মৌলভীবাজার সড়কে প্রাইম ব্যাংকের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), টিআইবি শ্রীমঙ্গল।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শিশুশ্রম প্রতিরোধে শক্তিশালী আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন ও কার্যকর বাস্তবায়নের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে শিশুদের সরিয়ে আনতে হবে। বিশেষ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে শিশুশ্রম বন্ধে কার্যকর তদারকি, নির্ভরযোগ্য তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা এবং সংশ্লিষ্ট খাতের কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তারা দারিদ্র্য, অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমব্যবস্থার আধিপত্য ও সুশাসনের ঘাটতিকে শিশুশ্রমের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

মানববন্ধন শেষে সনাক কার্যালয়ে সনাক শ্রীমঙ্গল সনাকের সহ সভাপতি কাজী আক্তারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। টিআইবি শ্রীমঙ্গলের কো-অডির্নেটর মো: আবু বকরের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সনাকের সাবেক সভাপতি শিক্ষক দ্বিপেন্দ্র ভট্টাচার্য, সাবেক সভাপতি সাংবাদিক সৈয়দ নেসার আহমদ, সদস্য জিডিসন প্রধান সুছিয়াং, রহিমা বেগম, রীনা মজুমদার ও ইয়েস দলনেতা সৈয়দ আরমান জামি।

ইয়েস দলনেতা ও শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের গণিত (সম্মান) চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সৈয়দ আরমান জামি বলেন, “একটি শিশুর স্থান কর্মক্ষেত্রে নয়, বিদ্যালয়ে। শিশুশ্রম বন্ধে পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র এবং নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো ঝুঁকিপূর্ণ খাতে কোনো শিশুর সম্পৃক্ততা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। শিশুদের জন্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।”

আলোচনা সভায় বক্তারা শ্রীমঙ্গল উপজেলার শিশুশ্রম পরিস্থিতি তুলে ধরে শিশু শ্রম বন্ধে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান।

এ সময় বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসের ধারণাপত্র পাঠ করেন ইয়েস সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ফাহিম ও তৃষা ভৌমিক।

বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।

এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।