পরশুরাম ২১টি মামলার আসামী মাদকসম্রাট ফাতেমাকে গ্রেফতার
পরপরশুরাম প্রতিনিধিঃ
যুগের পর যুগ কিশোর ও যুব সমাজে ভয়াবহ মাদক পাচারকারী মাদক সম্রাজ্ঞী ২১ টি মাদক মামলার অন্যতম আসামি ফাতেমা আক্তারকে অভিযান চালিয়ে পরশুরাম থেকে গ্রেফতার করেছে পরশুরাম থানা পুলিশ। আজ ভোররাতে আনুমানিক ভোর চারটায় পরশুরাম উপজেলার উত্তর বাউরখুমা তালুকপাড়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মাদক সম্রাজ্ঞী ফাতেমা আক্তারের (৩৫) পিতার নাম মমতাজ প্ৰকাশ মন্তু মিয়া প্ৰকাশ মত্তু হাজারী, সাবেক স্বামীর নাম-মৃত মামুন মিয়া, বর্তমান স্বামীর নাম-মুন্না মিয়া প্রকাশ মোমিন মিয়া।
পুলিশ জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশক্রমে আজ ৬ জুন ভোরে
পরশুরাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের দিক নির্দেশনায় এসআই মোহাম্মদ গোলাম হক্কানী ও এসআই
মোস্তফা কামাল’দ্বয়ের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ পরশুরাম মডেল থানাধীন উত্তর বাউরখুমা তালুকপাড়াস্থ জয়নাল আবেদীনের বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত মাদক সম্রাজ্ঞী ফাতেমা আক্তার (৩৫) গ্রেফতার করে ফেনী মডেল থানায় হস্তান্তর করে।
উক্ত মাদক সম্রাজ্ঞী ফাতেমার বিরুদ্ধে ফেনী জেলার বিভিন্ন থানায় ২১টি মাদক মামলা রয়েছে।
মাদকসম্রাী ফাতেমার সিডিএমএস যাচাই করে নিম্নবর্ণিত মামলাসমূহ পাওয়া যায় ।
১। (ASPQ) ফেনী এর ফেনী সদর থানার, এফআইআর নং-৫৪, তারিখ- ২৩ নভেম্বর, ২০০৯; ধারা- ১৯(১) এর ৩(ক) ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন
২। (৪৪T7) ফেনী এর ফেনী সদর থানার এফআইআর নং-২৭/৩৭৪, তারিখ- ০৯ জুন, ২০০৯; ধারা- ১৯(১) এর ৩(ক) ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন
৩। (2TFPK) ফেনী এর ফেনী সদর থানার, এফআইআর নং-২২/৬৯৯, তারিখ- ১০ অক্টোবর, ২০১৮; ধারা- ২২(গ)/২৫, ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন দ্রব্য।
৪। (2E3LX) ফেনী এর পরশুরাম থানার, এফআইআর নং-৭/৩৫, তারিখ- ১৮ মে, ২০১৭; ধারা- ২২(গ) ১৯৯০ সালের মাদক নিয়ন্ত্রণআইন।
৫। (1YLTF) ফেনী এর ফেনী সদর থানার এফআইআর নং-৬১/৩৮৮, তারিখ- ২৮ জুন, ২০২২; জি আর নং-৩৮৮/২২,
তারিখ- ২৮ জুন, ২০২২; ধারা- ৩৬ (১) সারণির ১০(ক)/৪০ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮
৬। (1YM12) ফেনী এর ফেনী সদর থানার এফআইআর নং-৬/৪০০), তারিখ- ০৩ জুলাই, ২০২২; জি আর নং-৪০0/22,
তারিখ- ০৩ জুলাই, ২০২২; ধারা- ৩৬(১) সারণির ১০(ক)/৪০ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮
৭। (2E3LX) ফেনী এর পরশুরাম থানার এফআইআর মামলা রয়েছে
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
