বঙ্গে বিজেপি র ঝড়ের দাপটে মমতা ক্যারিশমা শেষ

4 May 2026, 5:16:46

মনোয়ার ইমাম, কলকাতা প্রতিনিধিঃ

আজ সারা ভারতে মোট পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ফল প্রকাশ হতে চলেছে। তাতে সকাল থেকে পশ্চিম বাংলার মোট ২৯৩, টি সিটের মধ্যে প্রায় ১৯৫,সিট এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। এবং তৃনমূল কংগ্রেসের দল ৯৭,টি সিটে এগিয়ে রয়েছে। এবং পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকী র দল আই এস এফ ভাঙড় বিধান সভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হতে চলেছে। এবং ভারতের জাতীয় কংগ্রেস দুই টি সিট এবং বামফ্রন্টের দুই টি সিট এবং হুমায়ূন কবীর এর জন উন্নয়ন পার্টির দুই টি সিট দখল করতে চলছে। অন্যদিকে ভারতের দক্ষিণ রাজ্যে কেরালায় ক্ষমতা দখল করতে চলছে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস ওখানে বামফ্রন্ট কে হারিয়ে দশ বছর পর ক্ষমতায় আসতে চলেছে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস। এবং তামিলনাড়ু তে তালাপত্তি বিজয়ের দল ক্ষমতায় আসতে চলেছে।পান্ডিচারিতে ক্ষমতা দখল করতে চলছে বিজেপি র জোট এবং ভারতের আসাম রাজ্যের ক্ষমতা দখল করতে চলছে বিজেপি। আজ সকাল থেকে সারা পশ্চিম বাংলায় বিভিন্ন জেলায় জেলায় গেরুয়া ঝড় তুলেছে বিজেপি। সকাল থেকে খাতা খুলতে থাকে বিজেপি।এখন পর্যন্ত যা ফলাফল তাতে বিজেপি এককভাবে ক্ষমতায় আসতে চলেছে। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃনমূল কংগ্রেস ১০০,সিট টপকাতে পারেনি। তবে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট এবং হুমায়ূন কবীর এর জন উন্নয়ন পার্টি এবং আই এস এফ তারা খাতা খুলতে পেরেছে। পশ্চিম বাংলায় তৃনমূল কংগ্রেসের হারের কারণ হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিষেক ব্যানার্জি র উপর অতিরিক্ত বিশ্বাস করে। এবং বহু পুরানো তৃনমূল কংগ্রেসের নেতা ও কর্মী এবং বহু পুরানো বর্তমান বিধায়ক কে বঞ্চিত করে নতুন কিছু উঠতি নেতাদের উপর আস্থা রাখতে গিয়ে এই দশা। সেই সঙ্গে তৃনমূল কংগ্রেসের নিচের তলায় নেতা ও কর্মীদের দুর্নীতি ও অহঙ্কার এবং পুলিশ প্রশাসন কে দলীয় কাজে লাগিয়ে কাজ করার ফল হিসাবে সাধারণ মানুষ ভালো চোখে দেখেনি। এবং নীচের তলায় নেতা ও কর্মীরা সাধারণ মানুষের দেওয়া সরকারি অনুদান ও ঘরের টাকা পয়সা হাতানোর ও তোলাবাজি র কারণ গরীব মানুষ তৃনমূল কংগ্রেসের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।এই কারণে তৃনমূল কংগ্রেসের বিসর্জন দিয়েছেন পশ্চিম বাংলার সাধারণ মানুষ। তবে আগামী দিনে পশ্চিম বাংলার তৃনমূল কংগ্রেসের ভবিষ্যত কি হবে তা লাখ টাকার প্রশ্ন তুলেছে সাধারণ মানুষ।।

বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।

এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।