অপপ্রচার ও ‘গুপ্ত রাজনীতি’ বন্ধের দাবিতে বেরোবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

29 April 2026, 11:01:44

নিজস্ব প্রতিবেদক, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরঃ

দেশব্যাপী জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং তথাকথিত ‘গুপ্ত রাজনীতি’ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) শাখা ছাত্রদল। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিলে অংশ নিয়ে নেতাকর্মীরা ছাত্রদলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ‘গুপ্ত রাজনীতি’র প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিল শেষে প্রধান ফটকে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশে একটি ‘গোপন রাজনৈতিক ধারা’ চালুর চেষ্টা চলছে।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা জাকারিয়া জিম বলেন, “একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী প্রকাশ্যে না এসে আড়ালে রাজনীতি পরিচালনা করছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া ফটোকার্ড ও গুজব ছড়িয়ে ছাত্রদলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে।” তিনি দাবি করেন, ছাত্রদলসহ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক শক্তিগুলো স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত রাজনীতিতে বিশ্বাসী।

বেরোবি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান বলেন, “যারা একসময় ছাত্রলীগের সহযোদ্ধা হিসেবে হলে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন, তারাই এখন সাধারণ শিক্ষার্থীর পরিচয়ে সক্রিয় হয়ে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশকে ব্যাহত করছেন।” তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, ফ্যাসিবাদের পতনের পরও কেন কিছু গোষ্ঠী প্রকাশ্যে না এসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চালিয়ে যাচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, গুজব ছড়ানো ও ‘মব সংস্কৃতি’ তৈরি করে ছাত্রদলের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা সফল হবে না। তারা এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা সাদিক কায়েম একটি ছবি দেখিয়ে দাবি করেন, ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে মিষ্টি বিতরণে অংশ নেওয়া এক যুবক বেরোবি ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি ইয়ামিন। তবে ছাত্রদল এ দাবিকে ‘বিভ্রান্তিকর’ ও ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ বলে অভিহিত করেছে। এর প্রতিবাদেই এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।

বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।

এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।