লকডাউনে এলাকাবাসীর প্রতি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান - কাউন্সিলর হাজী মফিজুর রহমানের

লকডাউনে এলাকাবাসীর প্রতি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান – কাউন্সিলর হাজী মফিজুর রহমানের

এইচ এম জাকির ঃ গত বছর ২৬শে মার্চ থেকে সারা বিশ্বব্যাপী  করোণা মহামারীর জন্য যে লকডাউন এর প্রচলন শুরু হয়েছে (মাঝখানে কিছুদিন বাদ দিয়ে) তা অদ্যাবধি চলমান। করোণা মহামারীর এ মহাদুর্যোগের সময় ঢাকা  উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ১৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজি মফিজুর রহমান এলাকা বাসীর প্রতি স্বাস্থ্যবিধি সহ সকল সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অন্যতম বৃহৎ এলাকা ১৯  নং ওয়ার্ড,যেখানে লক্ষ লক্ষ লোকের বসবাস। ২০২০ সালের মার্চ মাসে লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে তিনি প্রায় লক্ষাধিক লোক কে খাদ্য সহায়তা দিয়ে এসেছেন।  বর্তমানে লকডাউন চলাকালীন তিনি তার এলাকার গরিব দুঃখী অসহায় শ্রমজীবী গরীবদের মাঝে খাদ্য সহায়তা দিয়ে সহায়তা করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন, তার এলাকায় প্রায় ৩০,০০০ নিম্নবিত্ত পরিবার রয়েছে, যাদের প্রতিদিন খাদ্য চাহিদা রয়েছে,এত বিপুল সংখ্যক লোককে প্রতিদিন খাদ্য সহায়তা দেওয়া একজন কাউন্সিলর এর পক্ষে কঠিন ব্যাপার, তারপরও তিনি সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করে যাচ্ছেন। সরকারের ঊর্ধ্বতন মহল ও বিত্তশালীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান গত বছরের ন্যায় এবারও যেন তারা গরিব দুঃখী অসহায় শ্রমজীবী মানুষদের খাদ্য সহায়তা দেয়ার ব্যাপারে এগিয়ে আসেন। তিনি তার এলাকায় বসবাসরত সমাজের বিভিন্ন স্তরের  বিত্তশালীদের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে সহায়তা নিয়ে তার এলাকার গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে ইতিপূর্বে যথেষ্ট পরিমান সহায়তা করেছিলেন। লকডাউন চলাকালীন যখনই কোন পরিবার  সমস্যায় পরে, তার শরণাপন্ন হয়েছেন, তিনি তার সাধ্য অনুযায়ী তাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন,কেউ তার কাছ থেকে খালি হাতে ফিরে আসতে পারেননি। কাউন্সিলর বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মফিজুর রহমান তার এলাকা বাসীর প্রতি বলেন,যে কেউ যেকোনো বিপদাপদে প্রয়োজনবোধে আমার কাছে আসবেন, আমি আমার সাধ্যমত আপনাদেরকে সহায়তা করার চেষ্টা করব, তবে আপনাদের প্রতি আমার বিশেষ অনুরোধ, করোনা মহামারী নিয়ে সরকার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, যে স্বাস্থ্যবিধি দিয়েছেন, তা আপনাদের সকলকে যথাযথভাবে পালন করতে হবে,মেনে চলতে হবে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে ঢাকা উত্তরের সর্ববৃহৎ  কড়াইল বস্তি ১৯ নং ওয়ার্ড এলাকার মধ্যে অন্তর্গত,যেখানে নিম্নশ্রেণির প্রায় কয়েক  লক্ষাধিক লোকের বসবাস। সরেজমিনে কড়াইল বস্তিতে গিয়ে বস্তিবাসীদের সাথে আলাপ করলে তারা বলেন, ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী মফিজুর রহমান বস্তিবাসীদের মধ্যে এ পর্যন্ত অনেক খাদ্য সহায়তা দিয়ে এসেছেন এবং অনেক এনজিও, অনেক বিত্তশালীদের কাছ থেকেও তিনি সহায়তা এনে গরীবদের মাঝে বিতরন করেছেন, তার মতো কাউন্সিল রয়েছে বলেই কড়াইলের লক্ষ লক্ষ নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষ কিছু সহায়তা পাচ্ছেন, যা কড়াইল এর মত এত বিপুলসংখ্যক এলাকার জনগণের চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয়। বস্তিবাসীরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, তাদেরকে আরও পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্য সহায়তা যেন, সরকারি তরফ থেকে দেয়া  হয়।