লালমোহন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী ও হিসাবরক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্নসাতের অভিযোগ

লালমোহন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী ও হিসাবরক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্নসাতের অভিযোগ

ভোলা প্রতিনিধিঃ ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী মোঃ নুরুজ্জামান ও হিসাব রক্ষক মোঃজসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের  অভিযোগ ভুক্তভোগী সিএসপিদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগীদের মাধ্যমে জানা যায়, লালমোহন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী মোঃনুরুজ্জামান ও হিসাব রক্ষক জসিম উদ্দিন দীর্ঘদিন যাবত একই প্রতিস্ঠানে চাকরির সুবাধে প্রধান সহকারি নুরুজ্জামান নিজেকে ভোলা ৩ আসনের সাবেক এমপি মেজর জসিম উদ্দিনের আত্নীয় পরিচয় দিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার ও খেয়াল খুশি মতো অত্র প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জিম্মি করে নানান অপরাধ করে আসছেন। কয়েক জন সিএসপি সাংবাদিকদের জানান,মোঃনুরুজ্জামান ও জসিম উদ্দিন বহু বছর ধরে লালমোহন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  প্রধান সহকারি ও হিসাবরক্ষক হিসেবে চাকরি করে আসছেন। আমাদের বেতন ও অন্যান্য উপকরণ আনতে হলে তার দারস্থ হতে হয়। সেই সুবাধে আমাদের ২০২১ সালের জুন মাসের বেতন থেকে জনপ্রতি ১৫০০/১২০০ টাকা কর্তন করে রেখেছেন ।শুধু তাই নয় প্রতিবছর সরকার আমাদের যাতায়াত  ভাড়া বাবদ ৩৬০০টাকা খরচ দিয়ে থাকেন,সেখানে আমাদের দেওয়া হয়েছে ২৫০০ টাকা বাকিটা কর্তন করে রেখে দিয়েছেন।
উল্লেখ্য যে কমিউনিটি ক্লিনিক এর আওতায় লালমোহন উপজেলায় মোট ৩৩  জন সিএসপি কর্মী কাজ করে আসছেন। চাকরির শুরু থেকেই তাঁদের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা সিএসপিরা ব্যাংকের মাধ্যমে উত্তোলন করতো, কিন্তু গত জুন মাসের বেতন ব্যাংকে না দিয়ে হিসাবরক্ষক জসিম ও প্রধান সহকারী মোঃ নুরুজ্জামান মিলে করোনার অজুহাত দেখিয়ে সিএসপিদের বেতনের প্রাপ্তি স্বীকারে সাক্ষর রেখে বেতন কর্তন করে রেখেছেন।
লালমোহন উপজেলার সিএসপিদের সভাপতি মোঃজুলহাস আহম্মেদ জানান, প্রধান সহকারী নুরুজ্জামান ও হিসাব রক্ষক মোঃ জসিম উদ্দিন প্রতিমাসেই বেতনের সময় কোন না কোন অজুহাত দেখিয়ে খরচের টাকা চায়, না দিলে বেতন আটকিয়ে রাখে। আমি সভাপতি হিসেবে এদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে চাইলে আমাকে ও দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।আমি সিএসপিদের পক্ষ থেকে তাদের বিচার চাই।এ ব্যাপারে প্রধান সহকারী মোঃ নুরুজ্জামান এর মুঠোফোনে ফোন দিলে তাকে পাওয়া যায়নি,হিসাবরক্ষক জসিম উদ্দিনের  সাথে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, যারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে,তা সম্পুর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।লালমোহন উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেকের টিএস,ডাঃ মিজানুর রহমান জানান,কারো বেতন কর্তন করার ক্ষমতা নেই। যদি হিসাব রক্ষক এমনটা করে থাকেন,অভিযোগ পেলে আমি ব্যবস্হা নিবো।