১১-২০ গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবিদের সংবাদ সম্মেলন

১১-২০ গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবিদের সংবাদ সম্মেলন

এইচ এম জাকির ঃ১১-২০ গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের সম্মিলিত অধিকার আদায়ের ফোরামের উদ্যোগে স্থায়ী পে-কমিশন গঠন করে নবম পে স্কেল এর মাধ্যমে বেতন বৈষম্য নিরসন,মহার্ঘ ভাতা প্রদান এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি বাস্তবায়ন,টাইম স্কেল -সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল সহ ৮ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংগঠনের সভাপতি মোঃ লুৎফুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহমুদুল হাসান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মোঃ মোফাজ্জল হোসেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মহানগর কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান পান্না সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ বলেন বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারি কর্মচারীদের জন্য অনেক কিছু করেছেন কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা এর সুফল থেকে বঞ্চিত ।সরকারি চাকরিজীবীরা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সেবা খাতের ব্যয় বৃদ্ধির কারণে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ইতিমধ্যে বৈশ্বিক মহামারী করোণার কারণে বাংলাদেশ এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে, যার দরুন দ্রব্যমূল্য কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে,সেবামূল্য আকাশচুম্বী রূপ ধারণ করেছে অথচ নিম্ন শ্রেণীর কর্মচারীদের আয় বাড়েনি মোটেই, তাই চলমান জীবন বাস্তবতার নিরিখে প্রজাতন্ত্রের নিম্ন বেতনভুক্ত কর্মচারীদের সমস্যা গুলি চিহ্নিত করে তার সমাধান করার লক্ষ্যে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা অতীব জরুরি হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা নবম পে স্কেল ঘোষণার মাধ্যমে বেতন বৈষম্য নিরসন, যৌক্তিক পরিমাণে মহার্ঘ ভাতা প্রদান, এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি বাস্তবায়ন, সকল পদে পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেড প্রদান করে ব্লক পোষ্ট নিয়মিতকরণ করতে হবে, টাইম স্কেল সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল , সচিবালয়ের ভেতরে ও সচিবালয়ের বাহিরের কর্মচারীদের মধ্যে বৈষম্য দূর করতে হবে, সকল ধরনের ভাতা বর্তমান সময়ে বাজার অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে, বেতনভোগীদের জন্য রেশনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করাসহ  ৮ দফা দাবি পেশ করেন। এ বিষয়ে দাবি আদায়ের জন্য বর্তমান সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীবর্গ জাতীয় সংসদের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী পরিষদের সভাপতি সহ জাতীয় সংসদের গুরুত্বপূর্ণ সংসদ সদস্য সহ প্রায়  ১২০ জনের নিকট দাবী অবহিত করে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছিল। ২০২১-২০২২ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ঘোষণার পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, অর্থ সচিব সহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু অদ্যাবধি সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো দাবি মেনে নেয়া হয়নি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দাবি না মানলে ১৮ জুন পুনরায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি  পালন করার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীরা বলেন তারা খুবই আশাবাদী বর্তমান সরকারের যোগ্য প্রধানমন্ত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নিকট গিয়ে বিষয়টি যদি সঠিকভাবে তুলে ধরা হয় তাহলে তিনি সাধারণ কর্মচারীদের যৌক্তিক ৮ দফা দাবি মেনে নিয়ে অতি দ্রুত বাস্তবায়ন করবেন।