কড়াইল এরশাদনগরে অবৈধ গ্যাস সংযোগের মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার নেপথ্যে কারা

কড়াইল এরশাদনগরে অবৈধ গ্যাস সংযোগের মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার নেপথ্যে কারা

এইচ এম জাকির ঃ রাজধানীর বনানী থানার অন্তর্গত এরশাদনগরে সরকারি খাস জমিতে ঘর উঠিয়ে বসবাসকারীদের মধ্যে অবৈধভাবে গ্যাস বিদ্যুৎ পানি সংযোগের মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। কড়াইল এরশাদনগরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী দের সাথে কথা বলে জানা যায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন যথা জাতীয় শ্রমিক লীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগ যুবলীগ ছত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নাম দিয়ে একটি চক্র গ্যাস বিদ্যুৎ ওয়াসার কতিপয় অসাধু কর্মচারীদের ম্যানেজ করে, তাদের যোগসাজশে অবৈধ সংযোগ দিয়ে প্রতি মাসে প্রায় কোটি টাকার মতো হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রতি ৫ মিনিট পানি বাবদ ২০০ টাকা প্রতি ঘরের জন্য,বিদ্যুতের প্রতিটি পয়েন্টের জন্য  ২০০ টাকা,  প্রতি ঘর থেকে ১ চুলার জন্য ৫০০ টাকা দুই চুলার জন্য ১০০০ টাকা নিয়ে থাকেন এছাড়াও শ্রমিকলীগের নামধারী এক নেতা ময়লা-বাণিজ্য করে প্রতি মাসে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন প্রতিটি ঘর থেকে ময়লা বাবদ একশ, দেড়শ, দুশো টাকা করে নিয়ে থাকে,  প্রতিটি দোকান থেকে ২০/৩০ টাকা করে নিয়ে থাকে। কেউ টাকা দিতে অস্বীকৃতি  জানালে তাদের উপর নেমে আসে অবর্ণনীয় অত্যাচার। তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চায় না। এই চক্রটি খুবই চতুর,তারা গ্যাস বিদ্যুৎ ওয়াসার কতিপয় অসাধু কর্মচারীদের যোগসাজশে তাদেরকে ম্যানেজ করে এই অবৈধ সংযোগ বাণিজ্য চালিয়ে আসছে দীর্ঘদিন যাবত। গ্যাস বিদ্যুৎ ওয়াসার কতিপয় কর্মচারীরা প্রতিমাসে তাদের কাছ থেকে  মোটা অঙ্কের মাসোহারা নিয়ে থাকেন বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়। এলাকাবাসীদের নিকট থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় এই চক্রটির অবৈধ সংযোগ বাণিজ্যের কারণে এলাকার প্রতিটি ঘর মালিক চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন,প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যদি এলাকাবাসীকে রক্ষার কোনো উদ্যোগ না নেয়, তাহলে ভবিষ্যতে আরো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এলাকাবাসী এ ব্যাপারে ২০  নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ নাসির এর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। কাউন্সিলর মোহাম্মদ নাসির এর নিকট জানার জন্য তাঁর মুঠোফোনে ফোন দিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। এ ধরনের অবৈধ সংযোগ বাণিজ্যের নেপথ্য নায়কদের খুঁজে বের করার জন্য এই প্রতিবেদন অব্যাহত থাকবে।