কমিটি বাণিজ্যের অভিযোগ জাতীয় শ্রমিক লীগ ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে

কমিটি বাণিজ্যের অভিযোগ জাতীয় শ্রমিক লীগ ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে

এইচ এম জাকির ঃ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জাতীয় শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিউল আলম বুলু ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে পকেট কমিটি দিয়ে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ করেছেন মহানগর জাতীয় শ্রমিক লীগের অপর একটি গ্রুপ। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক বাচ্চু খন্দকার এর নেতৃত্বে বিভিন্ন থানার নেতৃবৃন্দ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর অন্তর্গত বিভিন্ন থানার নেতৃবৃন্দ মিছিলসহ অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে বক্তব্য দেন বাচ্চু খন্দকার ঢাকা মহানগর উত্তর জাতীয় শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ এইচ মনির সহ মহানগর ও বিভিন্ন থানার নেতৃবৃন্দ।  সমাবেশে বক্তারা বলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বেচ্ছাচারিতা ও নেতৃত্বহীনতার কারণে সাধারণ নেতাকর্মীরা জাতীয় শ্রমিক লীগের প্রতি অনীহা প্রকাশ করছে। বক্তারা অভিযোগ করে বলেন তারা বিগত দিনে করোনা মহামারী চলাকালীন সরকারি ও দলীয়ভাবে বরাদ্দকৃত অনুদানের আর্থিক সাহায্যে অনিয়ম করেছিল, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন চলাকালীন বিভিন্ন ওয়ার্ড ও থানার জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ লোপাট করেছিল, কোন নেতার মৃত্যু হলে বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড থেকে মিলাদের জন্য অর্থ আদায়, মহানগরের অফিসের জন্য চেয়ার ক্রয় করার নাম দিয়ে অর্থ আদায়, বিভিন্ন সভা-সমাবেশে পোস্টার লাগানোর জন্য অর্থ আদায় করে তারা তা আত্মসাৎ করেছেন। কেন্দ্রীয়ভাবে স্পষ্ট নির্দেশ ছিল যে বর্তমানে কোন কমিটি দেওয়া যাবে না, কোন কমিটি ভাঙাও যাবে না,সেখানে কেন্দ্রীয় কমিটির সেই আদেশ নির্দেশ অমান্য  করে তারা তাদের নিজেদের ইচ্ছামত অর্থের বিনিময়ে কমিটি দিয়ে যাচ্ছেন।  ইতিমধ্যে তারা ডেমরা পল্টন কদমতলী ও মুগদা থানায় ইচ্ছামত  পকেট কমিটি দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে।  ইহাতে তারা মনে করছে যে মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ বি এম শফিকুল আলম বুলু ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন অর রশিদ এর নেতৃত্বে মহানগর দক্ষিণ জাতীয় শ্রমিক লীগ অচল হয়ে পড়বে।তারা বঙ্গবন্ধুর  আদর্শের  বদনাম করবে, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করবে’,জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করবে। তারা জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের প্রতি দাবি জানান অনতিবিলম্বে ‘ মহানগর কমিটি স্থগিত করে দিয়ে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে হবে। তা না হলে তারা পরবর্তীতে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করবেন। এ ব্যাপারে জানার জন্য ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জাতীয় শ্রমিক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবিএম শফিউল আলম বুলুর মুঠোফোনে ফোন দিলে তিনি বলেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে আমি যা করেছি তা দলের জন্যই করেছি, দলের বদনাম হয় সে ধরনের কোনো কার্যক্রম আমি করিনাই, কে কি বলল সেটা নিয়ে আমার মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই,  কোন ধরনের অর্থ-বাণিজ্যের সাথে আমি জড়িত নই।