ল্যাব সহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ ওমর ফারুককে মাদ্রাসা অধিদপ্তরে তলব
ল্যাব সহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ ওমর ফারুককে মাদ্রাসা অধিদপ্তরে তলব

মোঃ নূর হোসেন চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি:
ল্যাব সহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ ওমর ফারুককে মাদ্রাসা অধিদপ্তরে তলব।
এমপিওভুক্তি সংক্রান্ত নথিতে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. ওমর ফারুক-কে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে তলব করা হয়েছে।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখা থেকে ২৯ জুন ২০২৫ তারিখে জারি করা এক অফিস আদেশে বলা হয়, নতুন এমপিও আবেদন প্রক্রিয়ায় মহাপরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল করে এবং অনুমোদন কমিটির কার্যবিবরণী জালিয়াতির মাধ্যমে আবেদন দাখিলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ অনুযায়ী এ ধরনের কর্মকাণ্ড গুরুতর অনিয়ম। চিঠিতে যেটি স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে,ল্যাব সহকারী আফনান এর নিয়োগের জন্য যে সমস্ত ডকুমেন্ট এমপিও শাখায় পাঠানো হয়েছে তা সম্পুর্ন ভুয়া ও ভানোয়াট, যেখানে দেখা যাচ্ছে ডিজির প্রতিনিধির ভুয়া চিঠি ও ভুয়া নিয়োগবোর্ড তৈরি করে ফলাফল শীট তৈরি করে এমপিও করার জন্য সুপার কর্তৃক সুপারিশ করা হয়েছে যা সম্পুর্ন আইন বহির্ভূত। এ কারনে চর শশীভূষণ হোসাইনিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. ওমর ফারুক (ইনডেক্স নং: M0006332)-এর বেতন ভাতা (এমপিও) সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
একই সঙ্গে তাকে আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের তদন্ত ও ব্যাখ্যা পর্যালোচনার পর পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে দৈনিক সকালের বার্তা প্রতিনিধি সুপার মোঃ ফারুক কে কল দিয়ে চিঠির ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি এখনো এ ব্যাপারে কিছু অবগত নই বলে ফোন কেটে দেন। অপরদিকে অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও অন্যান্য দপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অবহিত করা হয়েছে।
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























মন্তব্য: