ডিমলায় বর্ণিত জোত জমি নিয়ে বিরোধ | বিডি-প্রেস 24 ডট কম
হোম / Uncategorized / বিস্তারিত

ডিমলায় বর্ণিত জোত জমি নিয়ে বিরোধ

28 June 2026, 6:22:04

ডিমলায় বর্ণিত জোত জমি নিয়ে বিরোধ

বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো,ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বর্ণিত জোত এলাকার একটি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় ভুক্তভোগী পক্ষের দাবি, জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাদেরকে হয়রানি করতে প্রতিপক্ষ ধারাবাহিকভাবে মামলা করে আসছে।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, বর্ণিত জোত এলাকার সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। বিরোধের এক পর্যায়ে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এরপর থেকেই প্রতিপক্ষ বিভিন্ন সময়ে নতুন নতুন মামলা দায়ের করে হয়রানির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী দোহল পাড়া গ্রামের মৃত জাফর আলীর পুত্র ফরহাদ হোসেন,ইউনুস আলী, রহমত আলী বলেন আমার গর্ভধারিণী মা জয়গুন বেওয়া জীবিত থাকা অবস্থায় দানকৃত জমি মৃত আমার বাবার ২ আনা স্বও্বে প্রাপ্ত ৫৬ শতক ও আমার বোনের নিকট হতে ১৩ শতক ক্রয় করে এবং অন্য ব্যক্তির কাছে ১৩ শতক ক্রয় করলে মোট ৮২ শতাংশ জমি তৎমধ্যে খগা খড়িবাড়ি ইউনিয়নের দোলপাড়া মৌজার ৮০ শতাংশ গয়াবাড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম খড়িবাড়ি মৌজার ২ শতাংশ মোট ৮২ শতাংশ জমি আমার মা জয়গুণ বেওয়া স্বেচ্ছায় সজ্ঞানে ২০ নভেম্বর ২০১৬ সালে দানপত্র লিখিত আকারে দেন। জয়গুন বেওয়ার পাঁচজন ছেলে সন্তান, ফরহাত হোসেন, ইউনুস আলী, রহমত আলী, জয়নাল আবেদীন, আয়নাল হক উভয়ের পিতা মৃত জাফর আলী শেখ। কিন্তু জয়গুন বেওয়া ৮২ শতক জমি ফরহাদ হোসনের কাছে লিখিত আকারে দানপত্র করায় এই দানপত্রে দুই সন্তান ইউনুস আলী ও রহমত আলী শিনাক্ত সাক্ষী হয়ে জমি দখল বুঝিয়ে দেন। পরবর্তীতে বাকি দুই সন্তান জয়নাল আবেদীন ও আয়নাল হক দানপত্রের বিষয়টি জানতে পেয়ে এই দুই ভাই তাদের পরিবারের লোকজন নিয়ে পেশি শক্তির মাধ্যমে ওই জমিতে কলার বাগান, সুপারি গাছ, বাশ ঝার থাকায় দেশীয় অস্ত্র মুখে জিম্মি করে গাছপালার ধ্বংস করে জমিটি দখল করে, আমার বাড়ি থেকে যাতায়াতের রাস্তাটুকু বন্ধ করে দেন। এই বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ে বিচার সালিশ করলেও তারা কাউকে কোন কর্ণপাত করছেন না। প্রতিনিয়ত আমি এবং আমার পরিবারের লোকজনকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি হুমকির প্রদর্শন করে আসিতেছে। অন্য মামলা
আদালতে বিচারাধীন বিষয় থাকা সত্ত্বেও ভুক্তভোগীরা বলেন প্রতিপক্ষ একটার পর একটা মিথ্যা মামলা দিয়ে চাপ সৃষ্টি করছে। এতে আমার আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি সামাজিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত পক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, তারা আইনগত অধিকার রক্ষার স্বার্থেই আদালতের আশ্রয় নিয়েছে এবং সব কার্যক্রম আইনের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকলে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে। এই বিষয়ে ৩নং সন্তান ইউনুস আলী বলেন আমার গর্ভধারিনী মা আমার ছোট ভাই ফরহাদ হোসেনকে যে জমিটি দানপত্র করেছেন সেই জমিটি জয়নাল ও আয়নাল জোরপূর্ব দখল করে নিয়েছেন এবং আমাদেরকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি হুমকি প্রতিনিয়ত দিয়ে আসছেন কখন যে আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি করে আমরা খুব আতঙ্কে জীবনযাপন করতেছি। রহমত আলী বলেন স্থানীয় বিচার সালিশ মানতেছে না তাই এই বিষয়টা নিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। দ্রুত সমাধানের জন্য।

বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি: ২৬জুন (শনিবার)
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বর্ণিত জোত এলাকার একটি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় ভুক্তভোগী পক্ষের দাবি, জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাদেরকে হয়রানি করতে প্রতিপক্ষ ধারাবাহিকভাবে মামলা করে আসছে।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, বর্ণিত জোত এলাকার সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। বিরোধের এক পর্যায়ে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এরপর থেকেই প্রতিপক্ষ বিভিন্ন সময়ে নতুন নতুন মামলা দায়ের করে হয়রানির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী দোহল পাড়া গ্রামের মৃত জাফর আলীর পুত্র ফরহাদ হোসেন,ইউনুস আলী, রহমত আলী বলেন আমার গর্ভধারিণী মা জয়গুন বেওয়া জীবিত থাকা অবস্থায় দানকৃত জমি মৃত আমার বাবার ২ আনা স্বও্বে প্রাপ্ত ৫৬ শতক ও আমার বোনের নিকট হতে ১৩ শতক ক্রয় করে এবং অন্য ব্যক্তির কাছে ১৩ শতক ক্রয় করলে মোট ৮২ শতাংশ জমি তৎমধ্যে খগা খড়িবাড়ি ইউনিয়নের দোলপাড়া মৌজার ৮০ শতাংশ গয়াবাড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম খড়িবাড়ি মৌজার ২ শতাংশ মোট ৮২ শতাংশ জমি আমার মা জয়গুণ বেওয়া স্বেচ্ছায় সজ্ঞানে ২০ নভেম্বর ২০১৬ সালে দানপত্র লিখিত আকারে দেন। জয়গুন বেওয়ার পাঁচজন ছেলে সন্তান, ফরহাত হোসেন, ইউনুস আলী, রহমত আলী, জয়নাল আবেদীন, আয়নাল হক উভয়ের পিতা মৃত জাফর আলী শেখ। কিন্তু জয়গুন বেওয়া ৮২ শতক জমি ফরহাদ হোসনের কাছে লিখিত আকারে দানপত্র করায় এই দানপত্রে দুই সন্তান ইউনুস আলী ও রহমত আলী শিনাক্ত সাক্ষী হয়ে জমি দখল বুঝিয়ে দেন। পরবর্তীতে বাকি দুই সন্তান জয়নাল আবেদীন ও আয়নাল হক দানপত্রের বিষয়টি জানতে পেয়ে এই দুই ভাই তাদের পরিবারের লোকজন নিয়ে পেশি শক্তির মাধ্যমে ওই জমিতে কলার বাগান, সুপারি গাছ, বাশ ঝার থাকায় দেশীয় অস্ত্র মুখে জিম্মি করে গাছপালার ধ্বংস করে জমিটি দখল করে, আমার বাড়ি থেকে যাতায়াতের রাস্তাটুকু বন্ধ করে দেন। এই বিষয়ে স্থানীয় পর্যায়ে বিচার সালিশ করলেও তারা কাউকে কোন কর্ণপাত করছেন না। প্রতিনিয়ত আমি এবং আমার পরিবারের লোকজনকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি হুমকির প্রদর্শন করে আসিতেছে। অন্য মামলা
আদালতে বিচারাধীন বিষয় থাকা সত্ত্বেও ভুক্তভোগীরা বলেন প্রতিপক্ষ একটার পর একটা মিথ্যা মামলা দিয়ে চাপ সৃষ্টি করছে। এতে আমার আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি সামাজিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত পক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, তারা আইনগত অধিকার রক্ষার স্বার্থেই আদালতের আশ্রয় নিয়েছে এবং সব কার্যক্রম আইনের আওতায় পরিচালিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকলে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে। এই বিষয়ে ৩নং সন্তান ইউনুস আলী বলেন আমার গর্ভধারিনী মা আমার ছোট ভাই ফরহাদ হোসেনকে যে জমিটি দানপত্র করেছেন সেই জমিটি জয়নাল ও আয়নাল জোরপূর্ব দখল করে নিয়েছেন এবং আমাদেরকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি হুমকি প্রতিনিয়ত দিয়ে আসছেন কখন যে আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি করে আমরা খুব আতঙ্কে জীবনযাপন করতেছি। রহমত আলী বলেন স্থানীয় বিচার সালিশ মানতেছে না তাই এই বিষয়টা নিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। দ্রুত সমাধানের জন্য।

বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।

এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য: