ঝালকাঠির বিনাপানি-কচুয়া সড়ক এখন ‘মরণফাঁদ’: সংস্কারের অভাবে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা
ঝালকাঠির বিনাপানি-কচুয়া সড়ক এখন ‘মরণফাঁদ’: সংস্কারের অভাবে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা

মো ইমরান মুন্সি, জেলা প্রতিনিধি ঝালকাঠিঃ
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার বিনাপানি থেকে কচুয়া ফেরিঘাট পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি বর্তমানে স্থানীয়দের কাছে এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও ভাঙনের সৃষ্টি হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কয়েক হাজার মানুষকে। খালে বিলীন হচ্ছে সড়ক, বাড়ছে ঝুঁকি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের ‘বালির মাঠ’ নামক স্থানে অর্ধেকের বেশি অংশ ভেঙে পার্শ্ববর্তী খালে বিলীন হয়ে গেছে। সরু হয়ে যাওয়া এই স্থানে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, সাধারণ পথচারীদের জন্য হেঁটে চলাই এখন ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতিদিন এখানে ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।
গত দুই দিন আগে বালির মাঠ এলাকায় এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে আবির (১১) নামে এক স্কুলছাত্র। সে বিনাপানি কে.বি.কে স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র এবং স্থানীয় নুর আলম মাঝির ছেলে। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। শুধু বালির মাঠ নয়, সড়কটির আরও বেশ কিছু স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে: সৈয়দপুর গুদিকাটা এলাকা: এখানে রাস্তার একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। লতাবুনিয়া স্কুল ও মাদ্রাসা এলাকা: এই জনাকীর্ণ এলাকার মধ্যবর্তী স্থানেও রাস্তা ভেঙে বিপজ্জনক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
দীর্ঘদিন রাস্তাটি বেহাল পড়ে থাকায় যানবাহন চালকরা চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। চালকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ভাঙা রাস্তায় গাড়ি চালাতে গিয়ে প্রায়ই যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং উল্টে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটছে।
এলাকাবাসী ও যানবাহন চালকদের দাবি, অতি দ্রুত এই সড়কটি সংস্কার করা হোক অথবা নতুন করে সড়ক নির্মাণ করা হোক। অন্যথায় বড় ধরনের কোনো প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন তারা। স্থানীয় ভুক্তভোগীরা এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।
এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
























মন্তব্য: