মোঃ মিনহাজুল ইসলাম, ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ
আগামী ১ জুন থেকে রংপুর মেইল বাস সার্ভিস বন্ধের ঘোষণার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ভূরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, এই বাস সার্ভিস বন্ধ হলে দুই উপজেলার হাজারো যাত্রীর দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করবে। তাই অবিলম্বে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে বাস চলাচল অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা।
কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, উত্তর ধরলা মোটর মালিক সমিতির সভাপতি স্বপন কুমার সাহা, সোনাহাট ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফেরদৌস হোসেন, উত্তর ধরলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি বশির আহমেদ বাঁশি, মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজার রহমান বাবলা, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি তাইফুর রহমান মানিক, সাবেক ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক উপজেলা সভাপতি রোকনুজ্জামান ও আল মামুন।
বক্তারা জানান, দীর্ঘদিনের দাবি ও জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রংপুর মেইল বাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। উত্তর ধরলা মোটর মালিক সমিতির সভাপতি স্বপন কুমার সাহা বলেন, শুরুতে কিছু আপত্তি থাকলেও পরে কুড়িগ্রামের ৯টি ও ভূরুঙ্গামারীর ৬টি সহ মোট ১৫টি বাস চলাচলের মাধ্যমে সার্ভিসটি চালু করা হয়। তবে সম্প্রতি কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়াই আগামী ১ জুন থেকে এ সেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ বলেন, তিন দিক থেকে ভারতবেষ্টিত ভূরুঙ্গামারী উপজেলার মানুষের জন্য সরাসরি রংপুরগামী বাস সার্ভিস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি দীর্ঘ বিরতির পর সার্ভিসটি পুনরায় চালু হলেও এখন আবার এটি বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের স্বার্থের পরিপন্থী।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও জানান, বাস সার্ভিস চালু রাখার দাবিতে ইতোমধ্যে কুড়িগ্রাম ও রংপুর বাস মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তারা দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান।
এ সময় বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি মেনে নেওয়া না হলে উপজেলাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
প্রকাশকও সম্পাদক : প্রিন্স মন্ডল অলিফ.বার্তা সম্পাদক:মোঃ জাকির হোসেন,IT ইনচার্জ: আসমা-উল-হুসনা।