বিয়ের প্রলোভনে লক্ষ্মীপুরে গৃহবধূকে নৌকায় নিয়ে ধর্ষণ | বিডি-প্রেস 24 ডট কম
হোম / অপরাধ / বিস্তারিত

বিয়ের প্রলোভনে লক্ষ্মীপুরে গৃহবধূকে নৌকায় নিয়ে ধর্ষণ

21 August 2026, 1:33:02

বিয়ের প্রলোভনে লক্ষ্মীপুরে গৃহবধূকে নৌকায় নিয়ে ধর্ষণ

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বিয়ের আশ্বাসে নৌকায় নিয়ে হাত-পা বেঁধে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ ও মারধর করার অভিযোগ উঠেছে দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে।

এ নিয়ে বুধবার (১৯ আগস্ট) রায়পুর থানায় মামলা করেছেন ওই নারী। এর আগে সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে উপজেলার মেঘনার একটি ঘাটে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় দুই জনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন- ট্রলার মাঝি আবদুর রহমান (৩৫) ও তার ভাই মহিম (২৫)। তারা উপজেলার উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চরঘাসিয়া গ্রামের মিঝি বাড়ির ইসমাইল মিজির ছেলে।

বুধবার রাত ৮টায় ভুক্তভোগী জানান, পাঁচ বছর আগে মুন্সীগঞ্জের এক ছেলের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তিন বছর আগে তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেন। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। মেঘনার চরে তাদের সয়াবিন আনা-নেওয়ার সময় আবদুর রহমানের সঙ্গে পরিচয় ও মোবাইলে কথা হতো। এই সুবাধে কয়েকদিন ধরে তাকে নদীতে ঘোরানোর প্রস্তাব দিচ্ছিল। বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে সোমবার রাতে চরে নিয়ে যায়। সেখানে মেঘনা নদীতে নিয়ে নৌকায় ধর্ষণ করে।

এ সময় চিৎকার দিলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আবদুর রহমানকে আটক করে স্থানীয় মেম্বার হানিফ দেওয়ানের বাড়িতে নিয়ে যায়। এ সময় বিয়ে করার কথা বললে ওই গৃহবধূকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে আবদুর রহমান ও তার ভাই মহিম।। পরে আহত ভুক্তভোগীকে রায়পুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে

এ ঘটনায় এলাকায় বিচার না পেয়ে বুধবার দুপুরে তিনি ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগে মামলা করেছেন। বিকালে তাকে সদর হাসপাতালে পরীক্ষা করা হয়। চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকের কাছে জবানবন্দিও দিয়েছেন।

‎রায়পুর থানার অফিসার ইনচার্জ নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, বিয়ের আশ্বাসে চরে ঘুরতে নিয়ে নৌকায় ধর্ষণের অভিযোগে এক নারী মামলা করেছেন। তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিডি-প্রেস 24 ডটকম কর্তৃক প্রকাশিত সংবাদ, ছবি, তথ্য ইত্যাদির অননুমোদিত ব্যবহার কপিরাইট আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য।

এই আইন লঙ্ঘনকারী যেকোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাপনা কর্তৃক যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য: