মোঃ মিঠু মিয়া, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি :
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ৪ নম্বর মুক্তিনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও স্থানীয়ভাবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব ওবায়দুর রহমান তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো বিভিন্ন অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে একটি ওপেন চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করেছেন। তিনি দাবি করেন, কেউ যদি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি কারও কাছ থেকে অন্যায়ভাবে ১০০ টাকাও নিয়েছেন কিংবা কারও ক্ষতি করেছেন, তাহলে সেই ব্যক্তিকে নগদ ৫ লাখ টাকা পুরস্কার প্রদান করবেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ওবায়দুর রহমানের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে কিছু ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত জীবনযাপন ও কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য এবং 'হা-হা' প্রতিক্রিয়া জানান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বক্তব্য প্রকাশ করেন।
ওবায়দুর রহমান বলেন,
আমি ওবায়দুর রহমান, যদি জুলুম করে কারও ১০০ টাকাও নিয়ে থাকি কিংবা কারও কোনো ক্ষতি করে থাকি, তাহলে আমাকে প্রমাণসহ দেখিয়ে দিন। কেউ তা প্রমাণ করতে পারলে আমি তাকে নগদ ৫ লাখ টাকা পুরস্কার দেব।"
তিনি আরও বলেন, সত্যের প্রতি তার আস্থা ও অঙ্গীকার অটুট। অপপ্রচার কিংবা মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে সত্যকে আড়াল করা সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, মুক্তিনগর ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ তার সততা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং ব্যক্তিগত আচরণ সম্পর্কে অবগত। তাই তিনি বিশ্বাস করেন, ভিত্তিহীন অপপ্রচার দীর্ঘদিন টিকতে পারে না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে তিনি সংযত ভাষা ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে বলেন,
"জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেই জীবনের অর্ধেক সমস্যা শেষ হয়ে যায়। মানুষের শরীরের সবচেয়ে ছোট অঙ্গগুলোর একটি হলো জিহ্বা, কিন্তু এর আঘাত অনেক সময় তলোয়ারের আঘাতের চেয়েও গভীর হয়। একটি ভুল কথা বহু বছরের সম্পর্ক নষ্ট করে দিতে পারে। তাই কথা বলার আগে সবাইকে চিন্তা করে কথা বলা উচিত।"
তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, যার সুনাম আছে, তাকে নিয়ে বদনামও হবে—এটাই চিরন্তন বাস্তবতা।"
এদিকে ওবায়দুর রহমানের এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে মুক্তিনগর ইউনিয়নজুড়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের একটি অংশ তার এই প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে তার দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
প্রকাশকও সম্পাদক : প্রিন্স মন্ডল অলিফ.বার্তা সম্পাদক:মোঃ জাকির হোসেন,IT ইনচার্জ: আসমা-উল-হুসনা।