সঞ্জয় শীল, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের গোয়ালি গ্রামে মহেশ খাল দখল করে স্থানিয় হামদু মিয়া দোকান ঘর নির্মাণ করছেন। এতে সরকারি খাল খননের বিপরীতে খাল দখল হওয়া নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন সচেতন মহল।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের মূল সড়কের পাশে গোয়ালি মহেশখালে স্থায়ী ভাবে রড-সিমেন্ট দিয়ে পিলার করে খালটি অবৈধভাবে দখল করে নির্মিত হচ্ছে।
দোকান ঘর নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের কোন অনুমতি নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে হামদু মিয়া বলেন, কোন অনুমতি নেয়া হয়নি।তবে অনুমতি নেওয়ার জন্য ইউএনও বরাবার কাগজ পাঠিয়েছি। এ বিষয়ে পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি না করতে টাকা নিয়ে ছুটে আসেন তিনি। এসময় তিনি আরো জানান, অনেক সাংবাদিক এসেছে, টাকা নিয়ে আবার চলেও গেছে। আপনারাও টাকা নিয়ে চলে যান।
স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই হামদু মিয়া সকারি খাল দখল করে দোকানঘর নির্মান করছেন। প্রশাসন ম্যানেজ থাকলে আপনার আমার এসবের প্রতিবাদের কোন কিছুই আসে যায় না।সে টাকার জোরে এখানে সরকারি জায়গায় দোকান ঘর নির্মান করবে।
খাল দখলের এমন চিত্র পুরো ইউনিয়নে। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা অধিকাংশ খাল নিজেদের দখলে রেখেছেন।
ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) বজলুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, এ বিষয়ে আমরা দুবার নোটিশ দিয়ে বাধা দিয়েছি। যাতে এখানে দোকানঘর নির্মাণ না করে। এসিলেন্ড স্যার এ বিষয়ে অবগত আছেন।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারি কমিশনার (ভূমি) খালিদ বিন মনসুর বলেন, খাল দখল করার কোন সুযোগ নেই। খুব শীঘ্রই খাল দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হবে।
প্রকাশকও সম্পাদক : প্রিন্স মন্ডল অলিফ.বার্তা সম্পাদক:মোঃ জাকির হোসেন,IT ইনচার্জ: আসমা-উল-হুসনা।