সঞ্জয় শীল, নবীনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে দেশের প্রথম শ্রেণির পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলজুর রহমান খানের বিরুদ্ধে পৌরসভার দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে।
সময়মতো অফিসে না আসা, অনুমতি ছাড়া যখন-তখন নিজের ইচ্ছেমত দফতর ত্যাগ করা আর অফিসে অনুপস্থিত থাকার কারণে ভুগান্তিতে সেবাগ্রহীতারা। দায়িত্বশীলরা যখনই দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করেন, তখন পুরো প্রশাসনই বিশৃঙ্খলার দিকে ধাবিত হয় এমন মন্তব্য করছেন সচেতন মহল।
সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, পারিবারিক কারনে ৪মে ২০২৬ থেকে পৌর প্রশাসক বরাবর লিখিত ছুটি নিয়েছেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলজুর রহমান খান। অথচ তিনি ২৯ এপ্রিল বুধবার থেকেই নবীনগর পৌরসভায় অনুপস্থিত রয়েছেন। জানা যায়, তিনি অনুপস্থিত থাকলেও পৌর সভার সকল কাগজপত্রে আগাম স্বাক্ষর করে রাখেন তিনি।
জানা যায়, এতে করে পৌর সভার বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্ধারিত সময়ে অফিসে হাজির হন না। এমন পরিস্থিতি এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কেউ দেরিতে আসেন, কেউ আবার দিন শেষে দায়িত্ব পালন না করেই আগেভাগে চুপিসারে দফতর ত্যাগ করেন। এতে করে পৌরসভায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ নানাভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও সেবা না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ফিরে যেতেদেখা যায় অনেককে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং তারা প্রকাশ্যেই গণকর্মচারী শৃঙ্খলা (নিয়মিত উপস্থিতি) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অমান্য করছেন।
পৌরসভায় অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে জানতে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলজুর রহমান খান কে একাধিক বার ফোন দিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. মাহামুদুল হাসান বলেন, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলজুর রহমান খান ছুটিতে আছেন।
সরকারি বিধি বিধান অনুযায়ী সকল কর্মকর্তা-কর্মচারির নিয়োমিত অফিস করা দরকার।এবিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনিয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
প্রকাশকও সম্পাদক : প্রিন্স মন্ডল অলিফ.বার্তা সম্পাদক:মোঃ জাকির হোসেন,IT ইনচার্জ: আসমা-উল-হুসনা।