আজাদ খান, চিতলমারি প্রতিনিধিঃ
একটি পরিবারের বেঁচে থাকার শেষ অবলম্বনটুকুও কেড়ে নিল এক রাতের বজ্রপাত। চিতলমারীর দড়ি উমাজুড়ি গ্রামের আনন্দ মিস্ত্রীর পরিবার আজ খোলা আকাশের নিচে, অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।
ঘটনার সময় তারা বাড়িতে না থাকায় প্রাণহানি এড়ানো গেলেও ক্ষতির পরিমাণ এতটাই ভয়াবহ যে, তাদের জীবনে নেমে এসেছে চরম অনিশ্চয়তা।
সেলাই মেশিন—যা দিয়ে বাড়তি আয় হতো, গ্যাসের চুলা—যা দিয়ে রান্না চলতো, মেয়ের পড়ার বই—যা তার ভবিষ্যতের স্বপ্ন ছিল—সবকিছুই আগুনে পুড়ে শেষ।
সংগীতা, পঞ্চম শ্রেণির এক মেধাবী শিক্ষার্থী, বারবার একই প্রশ্ন করছে—
"আমার বই নেই, ড্রেস নেই… আমি কীভাবে স্কুলে যাব?"
তার এই কান্না যেন পুরো সমাজের বিবেককে নাড়া দেয়।
স্থানীয় প্রশাসন প্রাথমিক সহায়তা দিলেও দীর্ঘমেয়াদে এই পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য সমাজের বিত্তবান, মানবিক সংগঠন ও সরকারি সহায়তা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
মানবিক আহ্বান:
একটি পরিবারকে আবার দাঁড় করাতে প্রয়োজন আমাদের সামান্য সহানুভূতি। যার যা সামর্থ্য আছে, তা নিয়ে এগিয়ে এলে হয়তো আবার নতুন করে হাসতে পারবে এই পরিবারটি।
প্রকাশকও সম্পাদক : প্রিন্স মন্ডল অলিফ.বার্তা সম্পাদক:মোঃ জাকির হোসেন,IT ইনচার্জ: আসমা-উল-হুসনা।