মোঃ নুর হোসেন,চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি:
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আমিনাবাদ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় তিন কর্মচারীর নিয়োগ ও এমপিওভুক্তি নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখা থেকে সংশ্লিষ্ট তিন কর্মচারীর ইনডেক্স কর্তন এবং এমপিওভুক্তির পর সরকারি কোষাগার থেকে প্রাপ্ত অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখা থেকে গত ১১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জারি করা এক চিঠিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠিতে আমিনাবাদ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোঃ আতিউর রহমান (ইনডেক্স নং-M0081363), কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর নীলা বেগম (ইনডেক্স নং-M0081461) এবং গবেষণাগার/ল্যাব সহকারী সায়েমা বেগম (ইনডেক্স নং-M0081364)-এর বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, মহাপরিচালক, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল, কমিটির সদস্যদের স্বাক্ষর জাল এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর জাল করে নিয়োগসংক্রান্ত কাগজপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে নিয়োগ বোর্ড গঠন করে ফলাফল শিট তৈরি এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়োগ ও এমপিওভুক্ত করা হয় বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, উক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ার পর যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্ট তিনজনের ইনডেক্স কর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এমপিওভুক্তির তারিখ থেকে এ পর্যন্ত উত্তোলিত সরকারি অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য ট্রেজারি চালানের মূল কপি অথবা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সত্যায়িত অনুলিপি অধিদপ্তরে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
চিঠিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি অর্থ ফেরত না দিলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে PDR Act-এর বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছে।
এ ঘটনায় আমিনাবাদ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগ ও এমপিওভুক্তির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।
প্রকাশকও সম্পাদক : প্রিন্স মন্ডল অলিফ.বার্তা সম্পাদক:মোঃ জাকির হোসেন,IT ইনচার্জ: আসমা-উল-হুসনা।