মোঃ হাফিজুল ইসলাম শান্ত স্টাফ রিপোর্টারঃ
পটুয়াখালীর গলাচিপায় কর্মরত মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষা এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে এক প্রতিবাদী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ মে) সকাল ৯টায় গলাচিপা হাসপাতাল রোড এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন ফারিয়া (ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেন্টেটিভস অ্যাসোসিয়েশন)-এর নেতৃবৃন্দ। সংগঠনের সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম অভি বলেন:
"আমরা দালাল নই, আমরা সম্মানজনক পেশায় নিয়োজিত। বৈজ্ঞানিকভাবে রোগ নির্মূলে কোম্পানির ওষুধ সম্পর্কে চিকিৎসকদের সঠিক তথ্য প্রদান করাই আমাদের প্রধান কাজ।"
সাধারণ সম্পাদক মো. রুবেল হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম আরিফ তাদের বক্তব্যে ওষুধ শিল্পে নিয়োজিত কর্মীদের নিরাপত্তা ও সামাজিক স্বীকৃতির দাবি জানান। এছাড়া ম্যানেজার ফোরামের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সভাপতি মো. ফিরোজ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফারুক হোসেন এবং সদস্য মো. হুমায়ুন কবির।
বক্তারা তুলে ধরেন যে, বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প জাতীয় অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত। এ শিল্পে নিয়োজিত প্রায় তিন লাখ দক্ষ ও শিক্ষিত প্রতিনিধি দিনরাত নিরলস পরিশ্রম করছেন।
তারা সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসকদের নতুন ওষুধের কার্যকারিতা, ডোজ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আধুনিক তথ্য সরবরাহ করেন।
শহর থেকে প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করতে তারা সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন।
সামাজিক নিগ্রহ ও মানসিক সংকট
মানববন্ধনে বক্তারা আক্ষেপ করে বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তারা প্রায়ই অপমান ও মানসিক নিগ্রহের শিকার হন। অনেক ক্ষেত্রে তাদের অবমাননাকরভাবে ‘দালাল’ হিসেবে অভিহিত করা হয়, যা তাদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক মর্যাদাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করছে। এর ফলে এসব পেশাজীবী ও তাদের পরিবার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।
সরকারের কাছে দাবি
মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের পক্ষ থেকে প্রধান দাবিগুলো হলো:পেশাগত মর্যাদা ও সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা।কর্মক্ষেত্রে সম্মানজনক আচরণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
একটি নিরাপদ ও সুষ্ঠু কর্মপরিবেশ গড়তে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।
নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, সরকারের সুদৃষ্টি ও কার্যকর পদক্ষেপে তাদের পেশার সম্মান বৃদ্ধি পাবে।
প্রকাশকও সম্পাদক : প্রিন্স মন্ডল অলিফ.বার্তা সম্পাদক:মোঃ জাকির হোসেন,IT ইনচার্জ: আসমা-উল-হুসনা।