ফরহাদ হোসাইন, কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ
সুন্দরবন উপকূলীয় জনপদ খুলনার কয়রায় কপোতাক্ষ ও শাকবাড়িয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে একটি চিহ্নিত সিন্ডিকেট চক্র। দীর্ঘদিন ধরে অবাধে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে চক্রটি। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা প্রশাসন একাধিকবার অভিযান চালিয়ে বালু উত্তোলনকারীদের আটক করে জেল-জরিমানা করলেও তা থেমে নেই। রাতের আঁধারে আবারও কপোতাক্ষ নদের দশালিয়া, হরিণখোলা, কাশিরহাট, চৌদ্দরশি, জেলেখালি, চরামুখা ও মেদেরচর এবং শাকবাড়িয়া নদীর খাসিটানা, জোড়শিং, হরিহরপুর ও গাতিরঘেরি পয়েন্ট থেকে অবাধে বালু উত্তোলন চলছে।
অভিযোগ রয়েছে, মদিনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা হারুন গাজীর নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২০ থেকে ২৫ জন ঠিকাদারের কাছে বিক্রি করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। বর্তমানে চক্রটি আরও বেপরোয়া হয়ে পুরোদমে বালু উত্তোলনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে কাশিরহাট, গাববুনি, গাতিরঘেরি, পদ্মপুকুর, হরিহরপুর, চরামুখা, ঘড়িলাল, গোলখালি, আংটিহারা, খাসিটানা ও জোড়শিং এলাকার বেড়িবাঁধ সংলগ্ন সিসি ব্লক তৈরির বড় বড় মাঠ নদী থেকে উত্তোলিত বালু দিয়ে ভরাট করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, অবৈধ বালু ব্যবসার টাকায় হারুন গাজী কয়রা সদর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় বিলাসবহুল চারতলা ভবন নির্মাণ করেছেন এবং অল্প সময়েই বিপুল অর্থবিত্তের মালিক বনে গেছেন।
এ বিষয়ে কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল্লাহ বাকী বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে কয়েকজনকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। পুনরায় এদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
প্রকাশকও সম্পাদক : প্রিন্স মন্ডল অলিফ.বার্তা সম্পাদক:মোঃ জাকির হোসেন,IT ইনচার্জ: আসমা-উল-হুসনা।