
কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ ১৪ সেপ্টেম্বর রবিবার ২০২৫।
কক্সবাজারের বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে ভাংচুর ও তাণ্ডবের ঘটনায় দুইটি মামলা হয়েছে। এর একটি দায়ের করেছেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দিন, আরেকটি করেছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই রাজীব পাল।
রোববার দুপুরে সদর মডেল থানায় মামলা দুটির এজাহার গ্রহণ করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন থানার তদন্ত পরিদর্শক মো. ফারুক হোসেন। তিনি জানান, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তার মামলায় দুইজনকে নামীয় আসামি করা হয়েছে—টিকেট ইজারাদার ইব্রাহিম বাবু ও মুন্না। একই সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও প্রায় ৭০০ জনকে আসামি দেখানো হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলায় আসামিদের নাম উল্লেখ করা হয়নি।
প্রসঙ্গত, গত ১ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল শুক্রবার। টিকেটের মূল্য ৫০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও দর্শকের চাপের কারণে আয়োজক কমিটি ধারণক্ষমতার চেয়ে ছয়গুণ বেশি টিকেট বিক্রি করে। এতে স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত ভিড় জমে যায়। দুপুরে গ্যালারি পূর্ণ হয়ে গেলে ক্ষুব্ধ দর্শকরা গেইট ভেঙে মাঠে প্রবেশ করেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা মাঠে নামে। তবুও দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ভাংচুর চলে। স্টেডিয়ামের বাইরে থেকেও উত্তেজিত দর্শকরা ভাংচুর চালান। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিচার্জ করে মাঠ খালি করে। এরপরও গ্যালারি ও মাঠে ব্যাপক ভাংচুর এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ হয়।
ঘটনায় কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন, পুলিশের তিন সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। শেষ পর্যন্ত ফাইনাল খেলা স্থগিত ঘোষণা করা হয়।
শনিবার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন শাহীনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন। জেলা প্রশাসক জানান, ঘটনাটি তদন্তে দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
প্রকাশকও সম্পাদক : প্রিন্স মন্ডল অলিফ.বার্তা সম্পাদক:মোঃ জাকির হোসেন,IT ইনচার্জ: আসমা-উল-হুসনা।