পটিয়ায় আদালতে বিচারাধীন জায়গা বিক্রির পায়তারা চালাচ্ছে মর্মে অভিযোগ
পটিয়ায় আদালতে বিচারাধীন জায়গা বিক্রির পায়তারা চালাচ্ছে মর্মে অভিযোগ
সেলিম চৌধুরি, পটিয়া প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রামের পটিয়ায় আদালতে বিচারাধীন জায়গা বিক্রি করার পায়তারা চালাচ্ছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে।পটিয়া সিনিয়র যুগ্ম জেলা জজ আদালত অপর মামলা নং ৪০/২০২৫ ইং
মামলা সুএে জানা যায়, স্বত্ব ঘোষণা ও বিগত ৩১/০৮/২০২০ ইং তারিখে ৫৪১১ নং হেবা ঘোষণা দলিল দ্বারা বাধ্যকর না হওয়া মর্মে ঘোষণা মুলক ডিক্রি পাওয়ার জন্য আদালতে দ্বারস্থ হন মৃত ছালে আহম এর পুএ মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন গং। এতে প্রতিপক্ষ বিবাদী করা হয় মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন খালেদ গং ছাড়াও মামলার মোকাবিলা বিবাদী পটিয়া সাব রেজিস্ট্রার, জেলা রেজিস্ট্রার,সদর রেজিষ্ট্রি অফিস চট্টগ্রাম, সহকারী কমিশনার (ভুমি) পটিয়া, ডেপুটি কমিশনার চট্টগ্রাম’কে। মামলার বাদী মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জানান, ০৫/০৯/
১৯৩০ সালে ২৮৫২ নং ওয়াকফ নামা দলিল মুলে পুএ হোসেন আহমদ ও দুদু মিয়াকে মোতোল্লী করে তাদের বরাবরে হস্তান্তর করেন। ওয়াকফনামা বর্নিত মতে ওয়াকফ নামাভুক্ত সম্পক্তিতে হাজী আলম শাহ জামে মসজিদ প্রতিষ্টিত করেন। বর্তমানে উক্ত মসজিদ তিনতলা ভিক্তি প্রথম তলা সম্পুর্ন নামাজ এবাদত উপযোগী করে দ্বিতীয় তলা ছাদযুক্ত শেষে অন্যান্য কার্যাদি নির্মাণধীন অবস্থাই। উক্ত মসজিদ পরিচালনার জন্য খতিব, মোয়াজ্জিন, মেরামত,
হেফাজত ইত্যাদি কার্যাদি পরিচালনার জন্য অর্থের প্রয়োজন হবে বিধায় ওয়াকফ দাতা আলম শাহ তপশীলোক্ত সম্পত্তিসহ অন্যান্য সম্পত্তি সম্পর্কে উক্ত ওয়াক্ফনামা দলিল পুত্র হোসেন আহমদ ও দুদু মিয়ার বরাবরে দিয়ে ছিলেন। ওয়াকৃষ্ণ নামা দলিলের মর্মমতে উক্ত হোসেন আহামদ ও দুদু মিয়া ওয়ারিশ পরম্পরায় মোতোয়াল্লী নিযুক্ত হয়ে ওয়াক্ফ উক্ত সম্পত্তির নিরুপিত জমা
আদায় দিয়ে বাকী মুনাফা দ্বারা মসজিদের তদ্বির, ভার, তেল,বাতি, পাটি ও অন্যান্য কাজে বিছানা সরাঞ্জম ও মেরামত ইত্যাদি কার্য নির্বাহ করার জন্য ওয়াকফ গ্রহীতাগণ ছাড়াও ওয়াক্ফ
দাতার অন্যান্য ওয়ারিশগণকে আর্থিক কীভাবে সাহায্য সহযোগিতা করবেন তারও দিক নির্দেশনা দেন। ওয়াক্ফ নামায় পরিষ্কার উল্লেখ থাকে যে, ওয়াক্ফভুক্ত তপশীলোক্ত সম্পত্তিসহ
অন্যান্য সম্পত্তি ওয়াক্ফ দাতার পরবর্তী কোন ওয়ারিশ ব্যায় বিক্রি হস্তান্তর করতে পারবে না। ওয়াক্ফনামার মর্ম মতে তপশীলোক্ত ভূমি সহ অন্যান্য ভূমি
হোসেন আহমদ ও দুদু মিয়ার নামে সমানাংশে বি,এস খতিয়ান চুড়ান্ত প্রচার আছে। বিএস খতিয়ানে ওয়াকফ নোট না থাকলেও ২৮৫২/১৯৩০ ইংরেজি সালের দলিল মতে তৎ ওয়াকফভুক্ত সম্পক্তি হয়। মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন জানান, পটিয়া পৌরসভা ৭ নম্বর ওয়ার্ড বাহুলি মৌজা মামলার তফসিলভুক্ত সম্পক্তি নিয়ে আমরা আদালতে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করে স্বত্ব ঘোষণামুলক ও বিগত ৩১/০৮/২০২০ তারিখে ৫৪১১ নং হেবা ঘোষণা দলিল দ্বারা বাধ্যকর না হওয়া মর্মে ঘোষণা ঘোষণা মুলক ডিক্রি পাওয়ার মামলা আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় আদালতের আদেশ অমান্য করে মসজিদের ওয়াকফ নামা সম্পক্তি মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন খালেদ গং বিক্রি করার পায়তারা চালাচ্ছে। তিনি এ বিষয়ে উর্ধতন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী এবং
পটিয়া যুগ্ম জেলা জজ আদালতের সিনিয়র আইনজীবী মতে আদালতে বিচারাধীন বা মামলা চলমান থাকা জায়গা আইনত বিক্রি করা যায় না। সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ (Transfer of Property Act) এর ৫২ ধারার ‘লিসপেনডেন্স’ বা বিচারাধীন মামলা নীতি অনুযায়ী, কোনো স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে আদালতে মামলা চলাকালীন আদালতের অনুমতি ছাড়া তা বিক্রি, দান বা হস্তান্তর করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
- প্রকাশক ও সম্পাদক : প্রিন্স মন্ডল অলিফ বার্তা সম্পদাক : মোঃ জাকির হোসেন
- আইটি ইনর্জাচ : আসমা-উল-হুসনা মোবাইল : 01737208208
Developed by bditsupport



